আপনার ব্যাংক ব্যালেন্সের থেকেও বেশি টাকা তুলতে পারবেন সহজেই, গ্রাহকদের জন্য বিশেষ সুবিধা নিয়ে আসলো SBI

ভারতের অন্যতম বৃহত্তম জনপ্রিয় ব্যাংক হল স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। বর্তমানে এই ব্যাংকের কোটি কোটি গ্রাহক রয়েছে। প্রায়শই নিজেদের আর্থিক নীতিতে পরিবর্তন করে এই ব্যাংক। লকডাউন এর আবহে এই ব্যাংক গ্রাহকদের পর্যাপ্ত ব্যালেন্স রাখার বিধি নিষেধ তুলে নিয়েছিল। এবং এটিএম থেকে সমস্ত ট্রানজাকশন ফ্রী করে দিয়েছিলো। কিন্তু লকডাউন মিটতেই অর্থাৎ আনলক ওয়ান চালু হওয়ার পরেই এই ব্যাংক আবার গ্রাহকদের পর্যাপ্ত ব্যালেন্স বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে।

এবারেই ব্যাংক এটিএম থেকে টাকা তোলার নিয়ম এর বদল এনেছে। জানা গিয়েছে এই নিয়ম গুলি না মানলে গ্রাহকদের জ’রি’মানা গুনতে হবে। এমনিতেই মেট্রো শহরগুলিতে এসবিআই গ্রাহকরা প্রতি মাসে আটটি লেনদেন বিনামূল্যে করতে পারেন। এর বেশি লেনদেন করলেই প্রতিটি লেনদেনের জন্য গ্রাহকদের আলাদা চার্জ দিতে হবে।এবার এফবিআই ঘোষণা করেছে আর একটি দারুণ সুখবর। জানা গিয়েছে তাদের 44 কোটি গ্রাহকদের জন্য জোড়া খরচ কমিয়ে দিয়েছে এস বি আই।

গত মঙ্গলবার ব্যাংকের তরফ থেকে এই নিরিখে একটি টুইট করা হয়েছে। ব্যাংক জানিয়েছে সেভিংস অ্যাকাউন্টে মিনিমাম ব্যালেন্স রাখার চাপ থাকবে না, যার জন্য আর জ’রি’মানা গ্রাহকদের দিতে হবে না। এর পাশাপাশি অ্যাকাউন্ট সং’ক্রা’ন্ত সমস্ত এসএমএস এর জন্য প্রতি মাসে আর পয়সাও গুন’তে হবে না গ্রা’হক’দের।এবার এসবিআই নিয়ে এসেছে আর একটি দুর্দান্ত পরিষেবা। গ্রাহকরা অ্যাকাউন্টে থাকা ব্যালেন্স এর থেকেও প্রয়োজনে বেশি টাকা তুলতে পারবেন বলে জানিয়েছে এস বি আই।

এই পরিষেবা ওভারড্রাফট পরিষেবা হিসেবে বিখ্যাত। এই পরিষেবার মাধ্যমে একাউন্টে জমা টাকা থেকেও অতিরিক্ত টাকা তুলতে পারেন গ্রাহকগণ তবে একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ওই অতিরিক্ত টাকা ব্যাঙ্ক’কে ফেরত দিতে বাধ্য হন গ্রাহকরা। প্রতিদিন হিসেবে এই অতিরিক্ত টাকার উপর সুদ দিতে হয় গ্রাহককে। নন-ব্যাংকিং ফাইন্যান্সিয়াল সংস্থা বা অন্যান্য ব্যাংক গুলিও এই পরিষেবা প্রদান করে থাকে।

জানা গিয়েছে কিছু গ্রাহককে ব্যাংক আগে থেকেই ওভারড্রাফট ফেসিলিটি দিয়ে থাকে আবার অন্যান্য গ্রাহকদের ক্ষেত্রে ওভারড্রাফট এর জন্য অনলাইন বা অফলাইনে আবেদন করতে হয় গ্রাহকদের। এই আবেদনের জন্য কিছু ব্যাংক আবার প্রসেসিং মূল্য ধরে নেয় গ্রাহকদের থেকে। ওভারড্রাফট হয়ে থাকে দুই ধরনের যথা সিকিওর এবং আনসিকিওর। সিকিওরড ওভারড্রাফট এর জন্য সিকিউরিটি হিসেবে গ্রাহকদের কিছু বন্ধ রাখতে হয়। আর আনসিকিউরড ওভারড্রাফটিং এর ক্ষেত্রে কিছু বন্ধক দেওয়ার বিষয় থাকে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button