‘কাটমানির টাকা কোথায়’? রাজ্যের মানুষের করোনা চিকিৎসার সরঞ্জাম কেনাতেও দুর্নীতি নিয়ে মমতাকে বিঁধলেন রাজ্যপাল!

বর্তমানে বাংলায় তথা দেশের মধ্যে স’ন্ত্রা’সের ঘোর রাজত্ব চালাচ্ছে ক’রোনা। প্রতিদিনই মৃ’ত্যু হচ্ছে অনেক মানুষের। মৃ’ত্যুভ’য়কে বি’ভী’ষিকাময় সঙ্গী করে নি’রন্তর জীবনের সাথে ল’ড়াই করে চলেছে মানুষজন। সকলেই স্বপ্নময় চোখে চেয়ে রয়েছে সেই স্বাভাবিক দিনগুলি ফেরার অপেক্ষায়। এইসময় দেশের মানুষের উচিৎ সকলের সাথে সকলের ঐক্যবদ্ধভাবে মিলেমিশে এই ক’ঠিন পরিস্থিতির বি-রু-দ্ধে ল’ড়াই করা।

সেইসাথে রা’জনৈ’তিক নে’তাদের‌ও উচিৎ এই স’ঙ্কট’ময় পরিস্থিতির মধ্যে সকলের কাজের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা। কিন্তু তা আর হচ্ছে কোথায় ? এই আ’শঙ্কা’র ঘনঘটার মধ্যেও অব্যাহত রাজনৈতিক দল-গু-লির একে অপরকে কাদা ছোঁড়াছুঁড়ির নোং’রা খেলা। এখনও আমফানের ক্ষ’তিপূরণ, রেশন দূ’র্নীতি থেকে শুরু করে করোনার আবহে রাজ্যের মানুষের সুরক্ষার ব্যবস্থা সবকিছু নিয়েই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তর’জা।

যেমন আমফানের ক্ষ’তিপূরণ বিলিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে, ক’রোনা মো’কা’বিলায় পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকার ব্য’র্থ হয়েছে বলে অভিযোগ করছে বি’রোধী দলগুলো। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সাথে বর্তমান রাজ্য সরকারের বি’রোধের নিদর্শন রয়েছে রাশি রাশি।ক’রোনা ম’হা’মারীর চিকিৎসায় বিভিন্ন স’রঞ্জা’ম কেনার মধ্যে বি’স্তর দু’র্নীতি’র অভিযোগ উঠেছে।

এই প্রসঙ্গে মমতা বন্দোপাধ্যায় কে অভিযোগে বিঁধেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। আজ শুক্রবার সকালে পরপর দুটি টুইট করেছেন রাজ্যপাল। তিনি লিখেছেন, “আপনি এবার সঠিক তথ্য প্রকাশ করুন। লাগাতার আর্থিক অনিয়ম এবং নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তির নিরন্তর লাভবান হওয়ার খবর প্রকাশ পাচ্ছে, তাতে অত্যন্ত বিরক্তি বোধ হচ্ছে।”তারপরেই রাজ্যপাল আরেকটি টুইটে লেখেন, “কাটমানির টাকা কোথায় গেল? সেই টাকায় কারা লাভবান হলো?

সেটা খোঁজ করা এই তদ’ন্তের আসল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত। ক’রোনা চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনাকাটার হিসাব নিকাশ সং’ক্রান্ত সমস্ত তথ্য বিষয়ক শ্বেতপত্র প্রকাশ করা উচিত। স্বচ্ছতার অভাবেই দু’র্নীতির জন্ম হয়।”জানা গিয়েছে ক’রোনা চি’কিৎসার জন্য রাজ্য সরকার গত কয়েক মাসে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার সর’ঞ্জাম ক্রয় করেছে। এই কেনাকাটার মধ্যে বিস্তর দু’র্নী’তি সংঘটিত হয়। একথা মুখ্যমন্ত্রীর কানে পৌঁছানোর পরেই তিনি নিজে ত’দন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button