কবে মিলবে করোনার ভ্যাকসিন? প্রশ্নের উত্তর দিলেন WHO-এর প্রধান বিজ্ঞানী ডঃ সৌম্য স্বামীনাথন

সারা পৃথিবীর বুকে করোনাভাইরাস এক স-ন্ত্রা-সে-র কালো রাজত্ব শুরু করেছে। সারা পৃথিবীর বুকে এই মারণ ভাইরাস মৃ-ত্যুর একটা কালো মেঘের সঞ্চার করেছে। প্রতিদিন প্রতিমুহূর্ত মানুষকে মৃ-ত্যুভয় কে সঙ্গী করে দিন কাটাতে হচ্ছে। সারা পৃথিবীতে এখনো পর্যন্ত বহু মানুষ করোনার গ্রাসে প্রাণ হারিয়েছেন। সারা পৃথিবী জুড়ে আ-ক্রা-ন্ত হয়েছেন অ-গুনতি মানুষ। তবে আসার খবরে এটাই যে রাশিয়া করোনার ঔষধ বের করে ফেলেছে।

খুব শীঘ্রই তারা ব্যাপক হারে এই ওষুধ বাজারে উৎপাদন করতে শুরু করবে। ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট খুব তাড়াতাড়ি করোনার প্রতিষেধক বের করবে বলে জানিয়েছে। বেশ কয়েকটি প্রতিষেধকের হিউম্যান ট্রায়াল চালু থাকলেও কত দিন নাগাদ এই ওষুধ মানুষের হাতে আসবে সেই নিরিখে নিজের মতামত দিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিজ্ঞানী ডক্টর সৌম্য স্বামীনাথন। গত শনিবার চেন্নাইয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে ডক্টর সৌম্য স্বামীনাথন জানিয়েছেন, “করোনার ভ্যাকসিন পেতে এখনো এক বছর অপেক্ষা করতে হবে।

এক বছরের আগে শীঘ্রই করোনার টিকা হাতে পাওয়ার কোন সম্ভাবনা আপাতত নেই। এই মুহূর্তে ভারত করোনার প্রতিষেধক তৈরি করার প্রাথমিক পর্যায়ে অবস্থান করছে। বৃহত্তর জনসংখ্যার উপর এই প্রতিষেধক চূড়ান্তভাবে প্রয়োগ করতে আরো এক বছর সময় লাগবে। ভারতের মোট আটটি কোম্পানি এই প্রতিষেধক তৈরি চেষ্টা করে যাচ্ছে। এই ধরনের মা-র-ণ রোগের টিকা আবিষ্কার করতে সাধারণত পাঁচ বছর থেকে আট বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

তবে যেহেতু এই চূড়ান্ত পরিস্থিতিতে সমস্ত কোম্পানি অতি তৎপরতার সাথে প্রতিষেধক তৈরি করতে সচেষ্ট হয়েছে তবুও এক বছর থেকে দেড় বছরের আগে কোন প্রতিষেধক‌ই চূড়ান্তরূপে কার্যকরী হতে পারবে না। এখনো পর্যন্ত ভারতের কোন প্রতিষেধক তৈরির কোম্পানি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কে তাদের চূড়ান্ত সাফল্যের কথা জানায় নি।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button