“তৃনমুল এখন কৃষি বিলের কাগজ ছিড়ছে, একুশে মাথার চুল ছিড়বে “- ফের কটাক্ষ ভারতী ঘোষের!

নিজস্ব প্রতিবেদন :-সামনে বিধানসভার ভোট । একুশের ভোটকে মাথায় রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলের প্রস্তুতিপর্ব নজরে পড়ার মতন। কোথাও দেখা গেছে বড় সমাবেশ তো কোথাও ছোট সমাবেশ। কোথাও বড় মিছিল তো কোথাও ছোট মিছিল । কোথাও আবার ভার্চুয়াল মিটিং বা আলোচনার কথা জানা গেছে ।কিন্তু থেমে নেই কোনো রাজনৈতিক দল । যত ভোট এগিয়ে আসছে ততই যেন বাড়ছে কটাক্ষের যুদ্ধ ।একদল অন্যদলকে অন্য দলকে কটাক্ষ করছে আবার অন্য দল দিচ্ছে পাল্টা জবাব। এভাবেই চলছে দিনের পর দিন কিন্তু অব্যাহত থেকেছে তাদের প্রস্তুতি ।

বিজেপি নেত্রী ভারতী ঘোষের কথা আমরা সকলেই জানি ।বেশ কিছুদিন আগে কেশপুরে হওয়া একটি র-ক্ত-দা-ন শিবিরের তিনি উপস্থিত ছিলেন । এবং ওই রক্তদান শিবিরে থেকে তিনি ঘাটালের সাংসদ দেবের বি-রু-দ্ধে সরব হন। তিনি বলেন যে ” মানুষ ভুল করেছে, অপদার্থ জনপ্রতিনিধি পেয়েছে “। যদি ওই ঘটনার পর দেবের কাছ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবুও শুধুমাত্র এটুকু বলেই তিনি থেমে থাকেননি । এর পাশাপাশি তিনি সমগ্র তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন । সরব হয়েছেন তাদের অরাজকতা নিয়ে ।

ভারতী ঘোষ ওই দিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন যে ” আমরা এই র-ক্তদান শিবির আয়োজন করছি এবং তার সাথে সাথে এই বার্তা সাধারণ মানুষ এবং তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে পৌঁছাতে চাইছি যে তারা যত র-ক্ত ঝরাবে বিজেপি কত রক্ত দেবে । র-ক্ত ঝরানো তাদের কাজ হলে র-ক্ত দেওয়া হবে বিজেপির কাজ ” । এর পাশাপাশি তিনি সাধারণ মানুষদেরকে রক্ত দেওয়ার মতো মহৎ কাজে এগিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করেছেন ।

কিন্তু আসল ঘটনা ঘটে যখন এক সাংবাদিক তাকে জিজ্ঞেস করেন যে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এর প্রতিক্রিয়া নিয়ে । যে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যপালকে হার্মাদ বলে কটাক্ষ করেছেন । এই প্রসঙ্গে বিজেপি নেত্রী ভারতী ঘোষ রীতিমতো কটাক্ষের সুরে বলেছে” যে সব তৃণমূলের নেতা নেত্রীর বাড়িতে বোমা গুলি উদ্ধার করে পুলিশ সে সেই তৃণমূলের দল একটি হার্মাদদের দল এটা সন্দেহের কোন অবকাশ রাখে না।

সিঙ্গুরের টাটা কোম্পানি কে বিতারিত করে তৃণমূল এখন বোমাবাজির কারখানা গড়ে তুলেছে রাজ্যজুড়ে। এমনটাই দাবি ভারতী ঘোষের। এর পাশাপাশি তিনি রাজ্যপালকে সমর্থন জানিয়ে বলেছেন তিনি সাংবিধানিক দায়িত্ব রক্ষা করছেন নিষ্ঠার সাথে। যদি কাগজ ছেঁড়া , বোম মারা বা মানুষদেরকে ঝুলিয়ে দেওয়া তৃণমূলের সাংবিধানিক নীতি হয় তাহলে এটাও জানিয়ে রাখি সামনে একুশে ভোটে মানুষ তার জবাব দেবে। এখন তৃণমূল কাগজ ছিড়ছে একুশের পর মাথার চুল ছেঁড়ার অবস্থাতেও থাকবে না তারা । এমনই বক্তব্য ভারতী ঘোষের। যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে পাল্টা কোন প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button