এতে সাধারণ মানুষ কতটা উপকৃত হবে সেটাই দেখার!

নিজস্ব প্রতিবেদন :-সেই রাজা মহারাজাদের কাল থেকে রেশন ব্যবস্থার প্রচলন আছে। শোনা যায় আলাউদ্দিন খিলজির “বাজারদর নিয়ন্ত্রণ” এর সাথে সাথে ভারতবর্ষে প্রথম রেশন ব্যবস্থা চালু করেছিলেন। এই রেশন ব্যবস্থা চালু করার ফলে বিভিন্ন মানুষ উপকৃত হয় । সেখান থেকে এখন অবধি এখনও চলে আসছে রেশন ব্যবস্থা। এই রেশন ব্যবস্থার আওতায় থাকা লক্ষ্য লক্ষ্য মানুষ উপকৃত হয়েছে যুগের পর যুগ ।

সরকার আসে সরকার যায় কিন্তু সময়ের সাথে সব কিছু পাল্টালেও থেকে যায় এই রেশন ব্যবস্থা। হয়তো রেশন ব্যবস্থার পদ্ধতির প্রক্রিয়ার উন্নতি বা পরিবর্তন ঘটে ঠিকই কিন্তু রেশন ব্যবস্থা অক্ষ-ত অবস্থায় থেকে গেছে যুগের পর যুগ ।এবার সেই রেশন ব্যবস্থা নিয়ে এক বিরাট বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। এর আগেও রেশন ব্যবস্থার উন্নতির জন্য বিভিন্ন রকম সিদ্ধান্ত নিয়েছিল রাজ্য সরকার ।

মূলত অপব্যবহার এবং অপচয় রুখতে এরূপ একটি বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। এবার মৃত ব্যক্তিদের রেশন কার্ড বাতিল করার পক্ষে রাজ্য সরকার ।রাজ্য সরকারের বক্তব্য কোন রেশন গ্রাহকের মৃ-ত্যু হলে সেই খবর রাজ্য দপ্তরে খাদ্য দপ্তর কে সঠিকভাবে পাঠানো হচ্ছে না ।ফলে সংশ্লিষ্ট ওই ব্যক্তির খাবার বরাদ্দ হচ্ছে। এর ফলে সরকারের অতিরিক্ত অপব্যয় ঘটছে বলে মনে করে রাজ্য সরকার ।

করোনার কারণে সাধারণ মানুষ এবং গরীব মানুষদের কথা মাথায় রেখে রাজ্য সরকার ইতিমধ্যে ফ্রিতে রেশন দেবার কথা ঘোষণা করেছে। তবে বেশ লিস্টে এমন বেশ কিছু গ্রাহক রয়েছে যারা আদতে মৃ-ত এবং সেই খবর খাদ্য দপ্তর কে সঠিকভাবে পাঠাচ্ছে না । ফলস্বরূপ সরকার এর একটা বড় অংশের অপব্যয় ঘটছে। তাই ঐদিন প্রশাসনিক বৈঠকে পুরো নিগম গুলিকে নির্দেশ দেয়া হয় যে তারা যেন মৃ-ত রেশন গ্রাহকদের খোঁজা শুরু করে দেয় ।

এর ফলে খাদ্য দপ্তরের রেশনের তালিকা থেকে ওই মৃ-ত ব্যক্তিদের নাম সরানো হবে এবং অপচয় আটকানো যাবে । খাদ্য দপ্তর সূত্রে খবর, প্রত্যেক জেলায় অবস্থিত স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে সেই এলাকার মৃ-ত ব্যক্তির তালিকা নেওয়া হবে। এরপর সেই তালিকা অনুযায়ী একদফা ফিজিক্যাল ভেরিফিকেশন চালাবে রাজ্য। তারপর মৃত ব্যক্তির চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হবে। এতে অনেকটাই অপচয় আটকানো সম্ভব বলে মনে করছেন তারা ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button