যার ছায়া দেখলেই বুক কাঁ’পে রাশিয়ারও, সেই কু’খ্যাত নিউক্লিয়ার বিমানকে ভারতের জন্য লাদাখে পাঠাচ্ছে আমেরিকা

সীমান্তে রয়েছে ভারতের দুই শত্রুদেশ চিন এবং পাকিস্তান। বারবার‌ই আগ্রাসী মনোভাবের হদিশ আসছে তাদের দিক থেকে। তাই বছরের পর বছর ভারত নিজের অ-স্ত্র স-ম্ভা-র-কে করেছে আরো উন্নত এবং শক্তি-শালী। ভারতের সেনাবাহিনী বর্তমানে বিশ্বের চতুর্থ শক্তি-শালী সেনাবাহিনী। ভারতের সাথে বিশ্বের তা-ব-ড় তা-ব-ড় শক্তিশালী দেশগুলোর সুসম্পর্ক রয়েছে। যেমন, আমেরিকা, রাশিয়া, জার্মানি, জাপান, ইজরায়েল প্রভৃতি।

চিন-ভারত সীমান্তে যু-দ্ধ পরিস্থিতিতে ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে আমেরিকা, রাশিয়া, ইজরায়েল। যু-দ্ধকালীন পরিস্থিতিতে ভারতকে অত্যাধুনিক ‘এ-ক্স-ক্যালি-বার’ দেওয়ার জন্য তৈরি আমেরিকা। এই অ-স্ত্রের গো-লা-র পাল্লা হল ৪০ কিমি। এই গোলা ভারতীয় সেনাবাহিনীতে ব্যবহৃত M77 ULTRA LIGHT হাউৎজার সহ বিভিন্ন কা-মা-নে-র সাথে অনায়াসে ব্যবহার করা যাবে।এর আগেও ভারতকে আটটি অ্যাপাচে হেলিকপ্টার বিক্রি করেছিলো আমেরিকা।

এই AH-64E অ্যাপাচে কপ্টার যথেষ্ট শক্তি-শালী অ্যাটাক হেলিকপ্টার। বিশ্বের এক নম্বর অ্যা-টা-ক কপ্টার এটি। একটা ফাই-টার প্লেনের মতোই এটাও অনেক কিছু অসাধ্য সাধন করতে পারে। এছাড়াও ভারতের কাছে রয়েছে চিনুক হেলিকপ্টার। এটি মূলত মালবাহী ও সেনাদের, রসদ নিয়ে যাওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। অনেক দূ-র্গ-ম এলাকায় পৌঁছে যেতে পারে এই চিনুক কপ্টার। আকারেও এটি বেশ বড়ো। অনেকজন সেনা পরিবহন করতে পারে এটি।

এবার জানা গিয়েছে ভারতকে আরো ৩৭ টি অ্যাডভান্সড্ কপ্টার পাঠাচ্ছে আমেরিকা। এর মধ্যে ২২ টি হল অ্যাপাচে এবং ১৫ টি চিনুক। লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ এলাকায় ইতিমধ্যেই চিনুক এবং অ্যাপাচে মোতায়েন করা রয়েছে। বোয়িং জানিয়েছে যে, ভারতের চাহিদা মতো আরো অ্যাটাক কপ্টার পাঠানো হবে। ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে বোয়িং এর সাথে এই অ্যাপাচে কপ্টার কেনার চুক্তি হয়েছিলো ভারতের।

এবার জানা গিয়েছে আমেরিকা ভারতকে সাহায্যের জন্য তাদের অত্যাধুনিক এবং ঘা-ত-ক নিউক্লিয়ার বো-মা-রু বিমান পাঠাচ্ছে ভারতে। এই ঘাতক বো-মা-রু বিমান একসাথে 16 টি পরমাণু বো-মা নিয়ে আকাশে উড়ে যেতে পারে। শীঘ্রই ভারতীয় বায়ুসেনা সাথে ফ্লা-ই-ট ওভার মিশন এবং সেনা মহড়া শুরু করতে চলেছে বিমান। জানা গিয়েছে ভারত-আমেরিকার এই জয়েন্ট মিলিটারি এক্সারসাইজ চীন সীমান্তে সম্পন্ন হবে।

এই ঘাতক বো-মা-রু বিমান আমেরিকার ডিয়েগো গার্সিয়ায় তিনটি মোতায়েন করা আছে। এই জায়গাটি থেকে ভারতের দূরত্ব এক হাজার মাইল। আমেরিকার বায়ু সেনা কমান্ডার কর্নেল ক্রিস্টোফার বলেছেন, “আমেরিকা তাদের বন্ধুদের জন্য খুবই চিন্তিত তাই এই ঘা-ত-ক বিমানগুলোকে এখানে নিয়ে আসা হয়েছে।

এই বোম্বার টাস্কফোর্স আমাদের ন্যাশনাল ডিফেন্স স্ট্র্যাটেজি এক অন্যতম অংশ। এই ঘাতক বিমানগুলোকে পৃথিবীর আলাদা আলাদা জায়গায় আমেরিকা প্রেরণ করে।”এই অত্যাধুনিক এবং ঘা-ত-ক বিমানের নাম হল B2 SPIRIT STEALTH . মুহুর্তের মধ্যে শত্রু-পক্ষের ঘাঁ-টি সহ তাদের অ-স্ত্র সম্ভার নিমেষে তছ-নছ করে দিতে পারে এই ঘা-ত-ক বো-মা-রু বিমান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button