বিজেপির নবান্ন অভিযানে রণক্ষেত্রের চেহারা কলকাতা-হাওড়ায়, কোথায় ছিলেন মমতা? উঠছে প্রশ্ন!

নিজস্ব প্রতিবেদন :-গত বৃহস্পতিবার একাধিক প্রতিবাদের ইস্যু নিয়ে নবান্ন অভিযান এর পথে পা মিলিয়ে ছিলেন প্রায় ৫০,০০০ বিজেপি কর্মী । শহরে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে নবান্নের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন বিজেপি । তবে কথা ছিল শান্তিপূর্ণ মিছিল । কিন্তু এই শান্তিপূর্ণ মিছিল রাজপথে নামতেই হয়ে ওঠে রণক্ষেত্র । যদিও তারা নবান্নের ধারে কাছে ঘেষতে পারেনি । মোতায়েন করা হয়েছিলো অ-তি-রি-ক্ত পুলিশ বাহিনী। তবুও কোথাও যেন রাজপথে নেমে শান্তিপূর্ণ মিছিল আর শান্তিপূর্ণ তে সীমাবদ্ধ ছিলো না ।

দিক দিক থেকে ছুটে আসা বিজেপি কর্মীরা ত্রিস্তরীয় ব্যারিকেড ভেঙে পুলিশের উপর বৃষ্টি চালায় এমনটাই অভি-যো-গ। পাল্টা পুলিশ লাঠিচার্জ করে । চালায় কাঁদানে গ্যাস এবং জলকামান। বিজেপির অ-ভি-যো-গ সেই জলকামানের ছিল কেমিক্যাল যা থেকে অসুস্থ হয়েছেন অনেক বিজেপি কর্মী। তবে এর পাশাপাশি বহু বিজেপি কর্মীর কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ,পিস্তল বোমা পাওয়া গেছে । এই নিয়ে ফিরাদ হাকিম বলেছেন শান্তিপূর্ণ মিছিলে কখনো বোমা গুলি পাওয়া যায় না। সেখানে থাকে ঝান্ডা ,থাকে বক্তব্য, থাকে স্লোগান।

বিজেপির নবান্ন অভিযান স্লোগান ছিল, পায়ে পায়ে উড়িয়ে ধুলো, নবান্ন চলো । স্যানিটাইজেশনের জন্য দুদিন বন্ধ নবান্ন। তবে, বিজেপির বি-ক্ষো-ভ কর্মসূচির আগে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই নবান্নের চারপাশের সমস্ত রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ কর্মী।  এরই মাঝে এদিন দুপুরে ঝাড়গ্রাম থেকে হেলিকপ্টারে ফিরে হঠাত্ই ডুমুরজলা স্টেডিয়াম থেকে সোজা নবান্নে যান মুখ্যমন্ত্রী।

এডিজি আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে মিনিট কয়েক কথা বলেই সেখান থেকে বেরিয়ে যান তিনি। এবার তাঁর গন্তব্য ভবানী ভবন। সেখানে পৌঁছেই ডিজিপি এবং মুখ্যসচিবের সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। সূত্রের খবর, বিজেপির নবান্ন অভিযানের ফুটেজ দেখেন তিনি। যদিও মুখে কুলুপ এঁটে নেই গেরুয়া শিবির ও। বিজেপির পক্ষ থেকে তেজশ্রী সূর্য জানান যে মমতা ব্যানার্জির তাদের এই অভিযানে ভয় পেয়ে ঝারগ্রাম পালিয়েছেন।

এই ভয় দেশের পক্ষে ভালো, রাজ্যের পক্ষে ভালো । এর পাশাপাশি প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন যে তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যে এ বাংলাবিরোধী বিজেপির উত্থানের পথ প্রশস্ত করে দিলেন ঝারগ্রাম গিয়ে । এই প্রসঙ্গে বাম নেতা সুজন চ্যাটার্জী বলেন যে তৎকালীন সরকারের ক্ষমতা নেই বিজেপি সরকারকে মোকাবিলা করার । এই ক্ষমতা শুধুমাত্র বামেদের আছে। যদি এখনো কোনো পাল্টা প্রতিক্রিয়া মেলেনি শাসক দল থেকে । তবে উঠেছে অনেক প্রশ্ন ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button