‘জনগণের ট্যাক্সের টাকায় ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়ার দিন শেষ’ মাদ্রাসায় তালা ঝোলালো অসম সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদন:-ভোট যত এগিয়ে আসছে তা তো আমরা আমাদের রাজ্যের খবর তুলে ধরছি আপনাদের সামনে। কিন্তু অন্য রাজ্যের অবস্থান ঠিক কেমন সে ব্যাপারে কি নজর আছে আপনাদের? যদি না থেকে থাকে তবে এই প্রতিবেদন আপনাদের জন্য। ধর্মীয় রাজনীতি বিজেপি বরাবরই করে আসছে । ধর্মের গায়ে সুড়সুড়ি দিয়ে রীতিমত এতোকাল রাজনীতি করেছে বিজেপি এমনটা যদিও অনেকের কিন্তু এই ঘটনা হয়তো কিছুটা হলেও তার ইঙ্গিত দেয় ।

সম্প্রতি আসাম সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে সরকারের টাকায় মাদ্রাসা চালানো আর সম্ভব নয়। কাজেই ব’ন্ধ করে দিতে হবে সেই সমস্ত মাদ্রাসা । শুক্রবার সংবাদমাধ্যমের সামনে হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন, আমরা অতীতে বিধানসভাতেই আমাদের সিদ্ধান্ত জানিয়েছিলাম। ধর্মীয় শিক্ষায় কোনও ভাবেই সরকারি অর্থব্যয় চাই না আমরা।”

তার এই সিদ্ধান্ত সামনে আশাতে প্রশ্ন এসেছে তাহলে কি মাদ্রাসাগুলি বন্ধ হয়ে যাবে ? উত্তরে তিনি জানিয়েছেন বেসরকারি যে সমস্ত মা’দ্রা’সাগুলি আছে সেগুলো নিজেদের ম’তন চলতে পারে। তাতে তাদের বলার কিছু নেই । কিন্তু সরকারি অর্থাৎ সরকার বা জনগণের করের টাকায় মাদ্রাসা চলছে সেই সমস্ত মাদ্রাসাগুলি দায়িত্ব সরকার নেবে না ।

এর পাশাপাশি প্রশ্ন আসে যারা মাদ্রাসাতে যারা পড়ান তাদের কি হবে ?এর উত্তরে তিনি বলেন ৪৮ জন মাদ্রাসা শিক্ষককে অন্য স্কুলে স্থা’না’ন্ত’রিত করে দেওয়া হবে ।তবে তার এই ব’ক্তব্য সামনে আসেনি রীতিমতো সৃষ্টি হয়েছে বি’তর্ক। । অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের প্রধান বদরুদ্দিন আজমল বলছেন, বিজেপি ক্ষ’মতায় থাকার সুযোগ নিয়ে যদি মা’দ্রাসা ব’ন্ধ করে তবে পরের বার বিধানসভায় ক্ষ’মতায় এলে তারা ফের মাদ্রাসা চালু করবেন।

তাঁর কথায়, “মা’দ্রাসা বন্ধ করা চলবে না।এগুলি ৫০-৬০ বছর ধরে চলছে। বিজেপি গায়ের জো’র দেখাচ্ছে।”এই মুহূর্তে মোট ৬১৪ টি মা’দ্রাসা রয়েছে অসমে। তার মধ্যে ৫৭ টি মেয়েদের, ৩টি ছেলেদের, ৫৫৪টি যৌ’থ শিক্ষার। এর মধ্যে ১৩টি উর্দু ভাষায় শিক্ষা দেওয়া হয়। পাশাপাশি রাজ্যে মোট ১০০০ সংস্কৃঋত টো’ল রয়েছে। তবে এর মধ্যে সরকারি অনুদানে চলে ১০০টি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button