শুরু হলো সিপিএমের ‘শ্রমজীবী বাজার’, দারুন কম দামে মিলছে আলু, পেঁয়াজ থেকে শুরু করে বিভিন্ন সব্জি! কোথায় পাবেন?

নিজস্ব প্রতিবেদন :-সামনে আসন্ন বিধানসভা ভোট কে মাথায় রেখে একের পর এক চমক দিয়ে চলেছে সিপিএম । মানুষের সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে মিশে গেছে লাল ঝা-ন্ডা ধারী এই দল । মানুষের সুবিধা কথা ভেবে নেয়া হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। কোথাও শ্রমজীবী ক্যান্টিন তো কোথাও শ্রমজীবী বাজার। কোথাও আবার কমিউনিটি কিচেন । এসবের মাঝে মানুষকে সাহায্যের যে এক অভিনব চিন্তা ভাবনা তারই চিত্র ফুটিয়ে তুলছে সিপিএম। কুমোরটুলির কাছে সম্প্রতি সিপিএম একটি শ্রমজীবী বাজার খুলেছে । শ্রমিক ছাত্র-ছাত্রী যুবক-যুবতী সবাই অংশ নিয়েছে এই উদ্যোগে ।

নিত্যদিন বেড়ে যাওয়া জিনিসের দাম গু-লি সেখানে মিলছে একদমই কম দামে ।যা থেকে উপকৃত হচ্ছে সাধারণ মানুষেরা।ওই এলাকায় রোজ সকাল ৭ টা থেকে ১১ টা পর্যন্ত শ্রমজীবী বাজার বসাচ্ছে শ্যামপুকুর এরিয়া কমিটি । সেখানে মিলছে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস গুলি প্রচন্ড কম দামে । আলু, পিয়াজ ,পটল ,ক্যাপসিকাম ,ঝিঙ্গে এহেন এমন কোনো সবজি নেই যা মিলছেনা ওই বাজারে । আর শুধু মিলছে তা নয় বরং বাজারদর থেকে অত্যন্ত কম দামে মিলছে ।এর ফলে রীতিমতো অনেকটাই সুবিধা হচ্ছে সাধারণ মানুষের এমনটাই মনে করছে সিপিএমের কর্মীরা।

বাজারে যেখানে এক নম্বর পেঁয়াজ প্রতি কেজিতে বিকোচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, সেখানে শ্রমজীবী বাজার তা দিচ্ছে মাত্র ৪০ টাকায়। বাজারে চন্দ্রমুখী আলু যেখানে প্রতি কেজিতে ৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, সেখানে শ্রমজীবী বাজারে তা পাওয়া যাচ্ছে ৩০ টাকায়। ক্যাপসিকাম যেখানে কেজিতে দেড়শো টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে সেখানে সিপিএম তা বিক্রি করছে অর্ধেকেরও কমে। ৬০ টাকায় ১ কেজি ক্যাপসিকাম!

কিন্তু এত সস্তা কিভাবে সম্ভব প্রশ্ন অনেকেরই উত্তর এসেছে তার।এর উত্তরে শ্রীজীব গোস্বামী জানিয়েছেন বাজারে অ-সা-ধু ব্যবসায়ীদের বাড়বাড়ন্ত দমিয়ে রাখা গেলে বা কমানো গেলে ন্যায্য দামে সাধারন মানুষ কাছে সবজি তুলে দেওয়া সম্ভব। সিপিএম অল্প ক্ষমতায় থেকেও যদি এটা করতে পারে তাহলে রাজ্য সরকার কেন পারছে না? প্রশ্ন করেন শ্রীজীব গোস্বামী । এর পাশাপাশি তিনি এও জানান কেন্দ্রের কৃষি বিল রীতিমতো কৃষকদের জীবন অ-নি-শ্চি-ত ফেলেছে।

এর বিরোধিতা ও প্র-তি-বা-দ করেছে সিপিএম এবং আগামী দিনেও করবে ।তিনি এও জানান এই শ্রমজীবী বাজার কেন্দ্র এবং রাজ্যের বি-রো-ধী একটি প্রতীক যা প্রমাণ করে দেয় যে সস্তায় ন্যায্য দামে জিনিসপত্র সাধারণ মানুষ হাতে তুলে দেওয়া যেতেই পারে ইচ্ছা থাকলে । মানুষ রীতিমতো বেশ খুশি এই সিদ্ধান্তে । তাহলে কী কোথাও এবার রাজ্যে হাওয়া বদল হতে চলেছে? খেলা কি ঘো-রা-চ্ছে বাম সংগঠনগুলো ? প্রশ্ন অনেকের ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button