ফের চাপে চিন সরকার, এবার দেশে নির্মিত হবে প্লাস্টিকের সমস্ত খেলনা, আর চিন থেকে খেলনা কিনবেনা ভারত

বর্তমানে সারা বিশ্বকে ক’রোনা’র ভয়া-বহ স’ন্ত্রাস উপহার দিয়েছে চিন। ভারতের সীমান্তে লড়া’ই করার উদ্রেক করেছিলো তারা। কিন্তু ভারতীয় সে’নাবা’হিনী দূ’র্গের মতো দাঁড়িয়েছিলো সীমান্তে। যার ফলে পিছু হটতে হয়েছে চিনকে। এছাড়াও আমেরিকার সাথে করো’না আবহে প্রথম থেকেই ঝা’মে’লায় জড়িয়েছে চিন। জাপানের সাথে দ্বীপপুঞ্জের অধিকার নিয়ে বি’বাদে জড়িয়েছে চিন, রাশিয়ার সাথে একটি শহরের দখলদারিত্ব নিয়ে বি-বা-দে জড়িয়েছে চিন।

আবার হংকং এর স্বাধীনতা খ’র্ব করছে চিন, তিব্বতের‌ও অধিকার কব্জা করেছে চিন। সবমিলিয়ে চিনের বি-রু-দ্ধে সরব সারা পৃথিবীবাসী। চিনের আগ্রা’সী নীতিকে ধি’ক্কার জানাচ্ছে সারা পৃথিবীর মানুষ। কিন্তু এই চিনের অঙ্গু’লিলে’হনে চালিত হচ্ছে পাকিস্তান এবং একসময়ের ভারতের বন্ধুরাষ্ট্র নেপাল। চিনের এই আগ্রা’সী নীতির প্র’তিবা’দে চিনের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছি’ন্ন করেছে ভারত।

চিনা অ্যাপ নিষি’দ্ধ করেছে ভারত, এবং সেই সাথে চিনা পন্যদ্রব্য‌ও ব’র্জ’ন করছে ভারত। চীনের বি-রু-দ্ধে ভারতের বিভিন্ন আর্থিক নীতি গু-লির ফলে চরম বে’কায়দা’য় পড়েছে চীন। ভারতের মতো একটা বৃহ’ত্ত’র ও লাভজনক বাজার হাতছাড়া হওয়ায় বেশ ক্ষ’তির মুখে পড়েছে চিনা কোম্পানি গুলি। চীনের বেশ কিছু অ্যাপ বাতি’ল করার ফলে ভারতে চিনা বাণিজ্য বেশ ধা’ক্কা খেয়েছে।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সারা দেশবাসীকে ডাক দিয়েছেন আ-ত্ননির্ভর হওয়ার জন্য।

সেই নিরিখে এবার প্রধানমন্ত্রী একটা দারুন উদ্যোগ নিয়েছেন। ভারতের খেলনা বাজারের 70% সামগ্রী চীন থেকে আমদানি করতে হয় এবার এই সমস্ত সামগ্রী ভারতেই উৎপাদন করার উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। দেশীয় এই উদ্যোগ প্রকল্পে দেশের সমস্ত যুবসমাজকে অন্তর্ভুক্ত করতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী। এর ফলে দেশের মধ্যে একটা ব্যাপক কর্মসংস্থান গড়ে উঠতে চলেছে। এর ফলে চিন থেকে ভারতে খেলনার এবং খেলনার নানা সামগ্রী আমদানি বন্ধ হওয়ায় বেশ ক্ষ’তির মুখে পড়বে চীন।

জানা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশের মধ্যেই প্লাস্টিকের খেলনা শিশুদের নানা খেলনা তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এই নিরিখে দেশের উচ্চ কর্মকর্তা এবং মন্ত্রীপরিষদের সাথে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী।প্লাস্টিকের খেলনা দেশের মধ্যেই প্রস্তুত করা হবে এবং এমন একটি পরিবেশ গঠিত হবে যাতে দেশের মানুষ সাগ্রহে নিজে থেকেই এই উদ্যোগে অংশ গ্রহণ করে।

আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্পে এই উৎপাদিত খেলনা গুলি শুধুমাত্র দেশের অভ্যন্তরে নয় এগুলি পাঠানো হবে বহির্বিশ্বের মধ্যেও। এর ফলে আরো সুদৃঢ় হবে ভারতের অর্থনীতি। এবং ঝট’কা খাবে ভারতীয় খেলনা বাজারে চিনের বিপুল পরিমাণ লাভের অঙ্ক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button