সুশান্তের মৃ’ত্যু আ’ত্মহ-ত্যা না খু’ন? এবার মুখ খুললেন সুশান্তের নিরাপত্তারক্ষী, বেরিয়ে এলো চাঞ্চ’ল্যকর তথ্য

গত ১৪ ই জুন পৃথিবীর বুক থেকে বিদায় নিয়েছেন সুশান্ত সিং রাজপুত। এখনও সারা দেশ উথাল পাথাল তাঁর মৃ-ত্যুতে। বলিউডের অন্ধকার দিকটা উন্মোচিত হয়েছে সকলের সামনে। করণ জোহর, সঞ্জয় লীলা বনসালি, একতা কাপুর, সলমন খান প্রমুখের নামে মা-ম-লা দায়ের হয়েছে। অনেকেই বলিউডের স্বজনপোষন নীতি নিয়ে অধিক মাত্রায় সরব হয়েছেন। কঙ্গনা রানাওয়াত থেকে শুরু করে মনোজ বাজপেয়ী, শেখর কাপুর, অনুভব কাশ্যপ এবং তাবড় তাবড় সেলিব্রিটি রা মুখ খুলেছেন বলিউডের চলতে থাকা এই নেপোটিজমের বি-রু-দ্ধে।

এর‌ই মধ্যে মা-ম-লা দা-য়ে-র হয়েছে করণ জোহর, আলিয়া ভাট, সলমন খান, একতা কাপুরের বি-রু-দ্ধে। সুশান্তের প্রাক্তন প্রেমিকা রিয়া চক্রবর্তীকে জে-রা করছে পুলিশ। সুশান্তের মৃ-ত্যুর কারণ ছিলো মানসিক অবসাদ- এই বিষয়টাকে প্রাথমিক ভাবে মনে করছে মুম্বাই পুলিশ। সুশান্তের মৃ-ত্যুর জন্য সিবিআই ত-দ-ন্তের দাবিতে সোচ্চার হয়েছিলেন তাঁর অসংখ্য অনুরাগী এবং বহু সেলিব্রিটি রাও। অবশেষে সিবিআই কেস হাতে নিয়েছে সুশান্তের মৃ-ত্যুর ত-দ-ন্তের।

এবার সুশান্তর প্রাক্তন নিরাপত্তারক্ষী দাবি করেছেন সেই সুশান্ত কখনো আত্মহ-ত্যা করতে পারেন না। তিনি বলেছেন 2019 সালের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত তিনি সুশান্তের নিরাপত্তারক্ষী রূপে নিযুক্ত ছিলেন। তিনি সুশান্তের মানসিকতা সম্বন্ধে খুব ভালভাবেই জানতেন। তিনি বলেছেন, “সুশান্ত সবসময় প্রচারের লাইমলাইট থেকে দূরে থাকতে চাইতেন। হায়দ্রাবাদে কাউকে কিছু না জানিয়ে ক্যান্সার আক্রান্ত কিশোরের চিকিৎসার জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে ছিলেন সুশান্ত।

যে মানুষ সবসময় জীবনের জয়গান গাইতেন এবং প্রাণোচ্ছল থাকতেন, তিনি কিভাবে আত্মহ-ত্যা করতে পারেন?”সুশান্তের এই নিরাপত্তারক্ষীর নাম হল নবীন ডালমি। তার এই কথাগুলি প্রকাশিত হওয়ার পরেই সুশান্তের অনুরাগী মহলে প্রবল আলোড়নের সৃষ্টি হয়েছে।

প্রথম থেকেই সুশান্তের অনুরাগী সহ অনেক জন‌ই সুশান্তের এই র-হ-স্যজনক মৃ-ত্যু কে আত্নহত্যার তকমা নিতে নারাজ। তার প্রত্যেকটি ভিডিওতে বা ফটোতে দেখা গিয়েছে তিনি সম্পূর্ণ দৃঢ় মানসিকতার মানুষ ছিলেন। যেকোনো সমস্যায় আত্মহ-ত্যার মতো মর্মান্তিক পরিণতি বেছে নেয়ার মত চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য তাঁর মধ্যে ছিলো না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button