সুশান্তের সবচেয়ে বড় ইচ্ছে ছিলো হলিউডে কাজ করার, আজ প্রকাশ্যে আসলো সেই প্রমান!

অনেক অভিমান, অনেক গ্লানি নিয়ে পৃথিবী ছেড়েছেন সুশান্ত।‌ পারেননি কঠিন বাস্তবের কুঠারা-ঘাত সহ্য করে, ল-ড়াই করে বেঁচে থাকতে। পাড়ি দিয়েছেন না ফেরার দেশে। তাঁর আকস্মিক এই হঠকারী সিদ্ধান্ত কাঁদিয়েছে আপামর জনসাধারণকে। তাঁর স্মিত হাসিটাকে মিস করছেন প্রতিটি মানুষ। ২০১৩ সালে বড়ো পর্দায় প্রথম পা রেখেছিলেন এই সদাহাস্যময় মহান মনের মানুষটি। তাঁর কেরিয়ারের দিকটিও খুব একটা অনুজ্জ্বল ছিলোনা।

অনেক সং-গ্রাম করে সাফল্যের মুখ দেখেছিলেন তিনি। তাঁর বেশীরভাগ সিনেমাতেই জীবনের জয়গান গাওয়া হয়েছে। কিন্তু এই মানুষটিই হে-রে গেলেন তাঁর জীবনের সং-গ্রামে। তাঁর শেষ ছবি ‘ছিঁচোড়ে’ ও দর্শকদের বেশ মন জয় করেছিলো। তাঁর মৃ-ত্যুতে সৃষ্টি হয়েছে বহু বি-ত-র্ক। বলিউডের নিকশ অন্ধকারের দিকটি উন্মোচিত হয়েছে সকলের সামনে। বিভিন্ন নামী দামী সেলিব্রিটি মুখ খুলেছেন সুশান্তের পক্ষে।

কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়েছে প্রভাবশালী কয়েকজন বলিউডের সেলিব্রিটি কে। সুশান্তের মৃ-ত্যুর পর তাঁর স্মৃতিবিজড়িত নানান ছবি, ভিডিও নিত্যনৈমিত্তিক পোস্ট হয়ে চলেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সুশান্তের পরিজনসহ তার আপামর ভক্তরা সুশান্তের মৃ-ত্যু’টাকে আত্নহ-ত্যার তকমা নিতে নারাজ। সকলেই বলছেন সুশান্তের মৃ-ত্যু টা হয়তো বা পরিকল্পিত খু-ন হতে পারে। সুশান্তের বোন শ্বেতা সিং কীর্তি জানিয়েছেন যে “সুশান্তের জীবনে ছিলো নানান স্বপ্নের আঁকিবুকি।

খুব পজিটিভ চিন্তা ধারার মানুষ ছিলেন সুশান্ত। সমস্ত কাজ তিনি গুছিয়ে করতে পারতেন। তাঁর জীবনে পঞ্চাশটি স্বপ্নের কথা তিনি ডায়েরিতে লিখে রেখে গিয়েছেন। তাঁর জীবনের পর্যায়ে কখনোই নেগেটিভ পরিস্থিতি প্রভাব ফেলেনি। এই মানুষটার জীবনে ছিলো হলিউডে কাজ করার এক বিরাট স্বপ্ন, নিজের একটি ফিল্ম প্রোডাকশন হাউস তৈরি করার স্বপ্ন, চাঁদে পাড়ি দেওয়ার স্বপ্ন, প্লেন চালানোর এক অদম্য ইচ্ছা, বাঁহাতে ক্রিকেট খেলার স্বপ্ন, এছাড়াও অনেক স্বপ্নের সাথে জীবনে চুটিয়ে বাঁচতে চেয়েছিলেন সুশান্ত।”

এহেন এই পজিটিভ চিন্তাধারার মানুষ কিভাবে আত্মহ-ত্যার মত এক অবিবেচনাপ্রসূত কাজ করতে পারেন তা নিয়ে অনেকেই সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। সুশান্তের আপামর অনুরাগী সহ তার পরিজন, অনেক সেলিব্রিটিরাও সুশান্তের মৃ-ত্যুর জন্য সিবিআই ত-দ-ন্তের দাবিতে সরব হয়েছেন। যে মানুষটার চোখে ছিলো এত স্বপ্নের আনাগোনা, তিনি কখনোই কোন পরিস্থিতিতে আত্মহ-ত্যাকে অধিক শ্রেয় মনে করার মতো কমজোরি মানসিকতার মানুষ নন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button