সুশান্তকে চায়ে ড্রা’গ মিশিয়ে খাওয়াতেন রিয়া, ফাঁ-স হলো সেই হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট, রইলো ছবি

রিয়া চক্রবর্তী। বর্তমানে সুশান্তের মৃ-ত্যু-র পর সবথেকে বড় ভিলেন সুশান্তের আপামর অনুরাগীর কাছে। রিয়া চক্রবর্তী বি-রু-দ্ধে সুশান্তের পিতা আদালতে মামলা করেছেন। সুশান্তের পিতা অ-ভি-যো-গ করেছেন যে রিয়া নাকি সুশান্তের টাকা প্রচার করেছেন এবং সুশান্তকে পাগল প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন। সুশান্তের আপামর ভক্তরা এটাই মনে করছেন যে, সুশান্তর আ-ত্ম-হ-ত্যা হোক বা মৃ-ত্যু-ই হোক রিয়া চক্রবর্তী তাতে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত রয়েছেন।

সিবিআই ত-দ-ন্ত শুরু হয়েছে আজ সপ্তম দিন হয়ে গিয়েছে। সিবিআই সুশান্তের ঘনিষ্ঠদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে। অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তী ও জে-রা-র মুখে পড়েছেন। এর আগে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট জে-রা করেছে রিয়া চক্রবর্তী কে। আবার জানা গিয়েছে নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরো নাকি মামলা দা-য়ে-র করতে চলেছে রিয়া চক্রবর্তী সহ আরো বেশ কয়েকজনের বি-রু-দ্ধে। ইডির হাতে তথ্য এসেছে যে রিয়া চক্রবর্তী সহ তার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন মা-দ-ক সেবনের সাথে জড়িত ছিলেন। এবং জল্পনা শুরু হয়েছে যে সুশান্তকেও নাকি রিয়া চক্রবর্তী মা-দ-ক সেবন করাতেন নিয়মিত।

সর্বভারতীয় সংবাদপত্র ‘টাইমস নাউ’ রিয়ার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে এক চা-ঞ্চ-ল্য-ক-র পথের সন্ধান পেয়েছে। জানা গিয়েছে গত 25 শে নভেম্বর রিয়াকে একটি মেসেজে তার বন্ধু জয়া শাহ লিখেছে, “চার ফোঁটা জলে বাঁচায় মিশিয়ে ওকে খাইয়ে দাও, 30 থেকে 40 মিনিট পর ও মাতাল হয়ে যাবে।”এর উত্তরে আবার রিয়া লিখেছেন, “ধন্যবাদ”। আবার জয়া উত্তর দিয়েছেন, “আর কোনো অসুবিধে নেই আশা করি এটা কাজ করবে।”

এই জয়া শাহ এবং রিয়া চক্রবর্তীর মধ্যে নাকি 100 বার ফোনে কথোপকথন হয়েছে। একটি ট্যালেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থার সঙ্গে যুক্ত এই জয়া শাহ। তার বেশ কিছু সেলিব্রিটির সঙ্গে ভালো খাতির রয়েছে। এই জয়ার বি-রু-দ্ধে-ই অ-ভি-যো-গ উঠেছে যে, তিনি রি-য়া চক্রবর্তীকে প্রায়শ‌ই মা-দ-ক সরবরাহ করতেন।

এই তথ্য সামনে আসার পর অত্যন্ত শোরগোল পড়ে গিয়েছে। গত মঙ্গলবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট টিম এই বিষয়টি সম্পর্কে জানতে পারে। এরপর এই সমস্ত তথ্য সিবিআই এবং নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরোর সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button