লোকাল ট্রেন নিয়ে বড় সুখবর দিলো রেল, এবার খুশি রাজ্যবাসী!

বিংশ শতাব্দীর শুরুতে করোনা অতি মহামারী হাত থেকে দেশকে বাঁচানোর জন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সারা দেশজুড়ে লকডাউন এর ঘোষণা করা হয়।এর ফলস্বরূপ সমস্ত ভারতবর্ষে লোকাল যেসব গণপরিবহন রয়েছে সেগুলো কেউ স্তব্ধ রাখার কথা ভাবনা চিন্তা করা হয়ে । বিশেষজ্ঞদের মতে লকডাউন এ একমাত্র পারে এই প্রতিবাদী হাত থেকে গোটা দেশকে বাঁচানোর জন্য।

লকডাউন এর ফলে গৃহের সর্বত্র মানুষ যে যার গন্তব্য স্থলে থাকবে কেউ বাড়ি থেকে বেরোবে না বলতো সংক্রমণ টাও কোনো গোষ্ঠী বা কোন এলাকা বা কোন মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পরার সম্ভাবনাও কম।কিন্তু দীর্ঘ পাঁচ ছ’মাস লকডাউন এর মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হওয়ার পরে যখন বিশ্বের বিভিন্ন বড় বড় ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক সংস্থা নিজেদের বৈজ্ঞানিক এর সাহায্যে যখন ভ্যাকসিন বানাতে সক্ষম তখন ভারতবর্ষের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন পর্যায়ের মধ্য দিয়ে লকডাউন কে আস্তে আস্তে তুলে নেওয়ার কথা পরিকল্পনা করা হয়।

হয়তো লকডাউন একমাত্র কার্যকরী পথ কিন্তু এই লকডাউন এর ফলে যেসব মানুষেরা যারা প্রতিনিয়ত কাজে বের হতেন যাদের রুটি রুটি রুজির যোগান বিভিন্ন গণপরিবহন মাধ্যমের ওপর তারা কিন্তু ক্রমশ বেকার হয়ে বাড়িতে বসে আছেন বেছে নিয়েছেন অন্য জীবিকা।

তাই কিছুটা করোনা গ্রাফ নিম্নমুখী অর্থাৎ বলা যায় সংক্রমণের হার উত্তরোত্তর বাড়লেও সুস্থতার কিন্তু লাগাতার ভাবেও বাড়ছে।বিশেষজ্ঞদের মতে মানুষ এই সংকটময় পরিস্থিতির মধ্যে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছে অর্থাৎ এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে যে এন্টি বডি সেটা কিন্তু মানবদেহে নিজস্ব ভাবেই তৈরি হয়েছে।

বিভিন্ন রাজ্যের বিভিন্ন ধরনের গন পরিবহন মাধ্যম রয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য বাস, ট্রাম ,মেট্রো এবং ট্রেন। ট্রাম কিন্তু একমাত্র কলকাতা শহরে তার ঐতিহ্য বজায় রেখেছে। বাস একটি গণপরিবহনের মাধ্যমে এটির সার্ভিস আনলক 1 এর পরবর্তী কাল থেকেই চালু হয়ে গিয়েছে কিন্তু অতি বহুল ব্যবহৃত গণমাধ্যম সংস্থা গুলি এখনো পর্যন্ত কিছুটা ভয় কিংবা অন্যান্য পরিকাঠামোর কিছু অনুপস্থিতির জন্য এখনো পর্যন্ত তার সার্ভিস চালানো হয়ে উঠতে পারা যায় নি।

যেহেতু সুস্থতার হার লাগাতারভাবে বাড়ছে তাই রাজ্যগুলিতে যে সরকার উপস্থিত সেইসব সরকারের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে গন পরিবহন মাধ্যম কে চালানোর ব্যবস্থা করতে চলেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রক। মানুষের সুযোগ সুবিধার কথা মাথায় রেখে ইতিমধ্যেই এই সপ্তাহ থেকে শুরু করা হচ্ছে মেট্রো রেল ব্যবস্থা। সম্পূর্ণ সামাজিক দূরত্ব বৃদ্ধি মাথায় রেখে w.h.o. স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে এবং সম্পূর্ণভাবে স্যানিটাইজেশন এর ব্যবস্থা করে মেট্রো রেলওয়ে চালানোর কথা পরিকল্পনা করা হয়েছে।

নির্দিষ্ট কিছু গাইডলাইন মেট্রোর তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো মাক্স ব্যবহার বাধ্যতামূলক কোনরকম টোকেন এর ব্যবস্থা কাউন্টার থেকে করা হবে না শুধুমাত্র তিনটা টিকিট এবং স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে যাতায়াত করা যাবে এবং বিভিন্ন সময়ের জন্য রয়েছে বিভিন্ন ধরনের বিভিন্ন রং এর পাশেই যাত্রার কিছুক্ষণ পূর্বেই অনলাইন মারফত কাটা যাবে এবং স্মার্ট কার্ড রিচার্জ এর ব্যবস্থা অনলাইনে করা যাবে বলে জানানো হয়েছে মেট্রো তরফ থেকে।

এছাড়াও আসনগুলোতে যাত্রী সংখ্যাকে 50% পর্যন্ত কমানো হয়েছে যেখানে দিনে আগে বহুমূত্র চলত 5 মিনিট ব্যবধান অন্তর সেই ব্যবধান টিকে বর্তমানে 15 মিনিট করানো হয়েছে।হয়তো মৃত্যুর দিয়ে কিছুটা গন পরিবহন ব্যবস্থা কে চালু করা গেলেও সবচেয়ে বড় গন পরিবহন মাধ্যম লোকাল ট্রেন ট্রেন গুলির মাধ্যমে বিভিন্ন কোনা থেকে বিভিন্ন গ্রাম থেকে উঠে আসা কিছু মানুষ রুটি-রুজির টানে শহরে প্রতিনিয়ত ছুটে আসতেন তাদের যৌন জীবন হয়তো স্তব্ধ হয়ে পড়েছে তারা হয়তো তাকিয়ে আছেন কবে ট্রেন চালু হবে এবং তাদের রুটি রুজি সন্ধান হবে।

হয়তো সেই সব কথা মাথায় রেখে পুজোর আগেই চালু হতে পারে লোকাল ট্রেন ।লোকাল ট্রেন চালানো নিয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে কয়েক দিনের মধ্যেই বৈঠক করবে বলে শোনা যায়। সূত্রে খবর পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব রেলের রাজ্যের সঙ্গে খুব শীঘ্র বৈঠক করবে।রুনা বিধি মেনে ট্রেন চালানো নিয়ে আলোচনা হবে এবং কি দূরত্ব বিধি মেনে মেট্রো পরিষেবা নজর রাখছে রেল।

সূত্র মারফত জানা গিয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের ম্যানেজার সঞ্জয় কুমার মন্ত্রী জানান পুজোর আগেই লোকাল ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে এই এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের সাথে বৈঠক করা হবে তার জন্য বিভিন্ন রাজ্য কে চিঠি প্রদান করা হয়েছে।তার কথায় তিনি জানান মেট্রো ব্যবস্থা কেমন চলছে সেটা কি একটু দেখে নেওয়া যাক পাশাপাশি আগামী দিনে ডিজিটাল পেমেন্ট ডিজিটাল ইন্ডিয়ার উপর যাতে মনোনিবেশ করা যায় সেটাও দেখতে হবে।

ফিডার আলো গেলে সংক্রমণে রোধ করা যাবে তাই হয়তো লোকাল ট্রেনে ও ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের কথা ভাবছে রেল।মেট্রো you’re অত্যাধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তি কিভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে কিংবা তার সফল হচ্ছে কিনা সেটাই দেখে নিতে চান রেল কর্তারা অর্থাৎ বলা যায় পুজোর আগে সাধারণ আমজনতারা মুখে একটু হলেও হাসি ফুটবেই বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button