বাচ্চার গায়ের রঙ ফর্সা ও বুদ্ধিমান করতে গ-র্ভাব’স্থায় বেশি খাওয়া উচিত যে ৭টি খাবার!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- আমরা যতই বলি যে বর্তমান প্রজন্মের গায়ের রং কোন প্র-ভাব ফে-লতে পারে না । কিন্তু একথা সম্পূর্ণ রকম ভাবে মিথ্যে । আজও গায়ের রং এর জন্য ক-টুক্তি শি-কার হতে হয় বিভিন্ন ছেলে এবং মেয়েদের কে । কিন্তু আপনি গর্ভবস্থা থাকাকালীন অর্থাৎ কোন মহিলা গ-র্ভবতী থাকাকালীন গায়ের রং নির্ধারণ করতে পারবেন । ভূমিষ্ঠ হবার পর তার সন্তানের গায়ের রং কেমন হবে সেটা আগে থেকে নির্ধারণ করা সম্ভব । একদমই ঠিক শুনেছেন কিভাবে সম্ভব তা জানাবে আজকে প্রতিবেদনের মাধ্যমে । অতি অবশ্যই প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ রকম ভাবে পড়ার অনুরোধ রইল।

নারকেলের জল :- অনেক ডাক্তার এবং বিশেষজ্ঞদের মতে যদি কোন মহিলা অ-ন্তঃস-ত্ত্বা থাকা অবস্থায় প্রচুর পরিমাণে নারকেলের জল পান করেন তাহলে তার সন্তানের গায়ের রং ফর্সা হয়ে থাকে ।

দুধ :- বিজ্ঞানীদের এবং ডা-ক্তারদের মতে যদি গ-র্ভাবস্থায় কোন মহিলা সঠিক সময়ে নির্দিষ্ট পরিমাণে দুধ পান করে থাকেন তাহলে তার গ-র্ভ অ-বস্থায় থাকা বাচ্চাটির শরীর সুস্থ স্বাভাবিক ও সুগঠিত হয় ।

জাফরান দুধ : অনেক মহিলা গ-র্ভবতী অব’স্থায় জাফরান দেয়া দুধ পান করে থাকেন। মনে করা হয় জাফরান গ-র্ভের শি’শুর গায়ের রঙ ফর্সা করে।

টমেটো :- টমেটোর মধ্যে থাকে এমন এক ধরনের এসিড যা আল্ট্রাভায়োলেট অর্থাৎ অ-তিবে-গুনি র-শ্মি থেকে রক্ষা করে আপনার গ-র্ভে থাকা বাচ্চাকে । কাজেই আপনি যদি গ-র্ভবস্থায় অধিক পরিমানে টমেটো খান তাহলে আপনার বাচ্চার গায়ের রং ফর্সা হতে পারে । তার পাশাপাশি সুস্থ-স্বাভাবিক শরীর হতে পারে ।

ডিম :- প্রচলিত কথা অনুযায়ী এমনটা মনে করা হয় যে গ-র্ভব-স্থায় দ্বিতীয় মাস থেকে যদি কোন মহিলা ডিমের সাদা অংশ খেয়ে থাকেন তাহলে তার বাচ্চার গায়ের রং ফর্সা হয়ে থাকেন । তার পাশাপাশি শারীরিক বিকাশের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান । বিশেষ করে অ-ন্তঃস-ত্ত্বা মহিলাদের ক্ষেত্রে ।

এর পাশাপাশি বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ ডা-ক্তার বলেছেন গ-র্ভে থাকাকালীন যোগ ব্যায়াম করতে গান শুনতে বই পড়তে এমনকি গ-র্ভের বাচ্চার সাথে নিজের মনের মতন কথা বলতে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button