‘BJP-র ভয়ে নবান্ন বন্ধ করলো মমতা, রাজ্যে ফ্যাসিস্ট সরকার চলছে,’- বাংলায় এসে বললেন তেজস্বী সূর্য!

নিজস্ব প্রতিবেদন:-সামনে বিধানসভা ভোট ।এই বিধানসভা ভোট কে সামনে রেখে সামনে রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলি প্রস্তুতি একদম তুঙ্গে । কেউ বিনা যুদ্ধে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে নারাজ । তাই যত ভোট এগিয়ে আসছে ততই যেন বাড়ছে সভা ,মিছিল, কর্মসূচির সংখ্যা। বাড়ছে পাল্টা মিছিল এর সংখ্যা ও । আমরা জানি গত বৃহস্পতি বার বিজেপির যুব মোর্চার নেতৃত্বে নবান্ন অভিযান করেছিল গেরুয়া শিবির ।

কর্মসূচিতে অংশ নিতে ইতিমধ্যে কলকাতায় এসে জমায়েত করে বিজেপি নেতা-কর্মীরা। বিজেপি পার্টি অফিসের সামনে তাদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করে নেতৃত্ব। বৃহস্পতিবার ৪টি মিছিলের মধ্যে ২টি মিছিল কলকাতা থেকে ও ২টি মিছিল হাওড়ায় থেকে শুরু হয় ।

কলকাতায় বিজেপির রাজ্য সদর দফতরের সামনে থেকে নবান্ন অভিযানে নেতৃত্ব দেন দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। হেস্টিংস থেকে একটি মিছিলে নেতৃত্ব দেন কৈলাস বিজয়বর্গীয় ও মুকুল রায়।  এছাড়া সাঁতরাগাছি থেকে যে মিছিলটি বেরিয়েছিল তাতে নেতৃত্ব দেন সায়ন্তন বসু ও রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় ৫০ হাজার এর বেশি সমর্থক নিয়ে ওইদিন নবান্ন অভিযান চালায় গেরুয়া শিবির ।

শান্তিপূর্ণ নবান্ন অভিযানে পুলিশ যাদেরকে ইতিমধ্যে গ্রে-প্তা-র করেছে তাদের মধ্যে পাওয়া গিয়েছিল বিভিন্ন আ-গ্নেয়া-স্ত্র । প্রশ্ন আসছে অনেক যে শান্তিপূর্ণ মিছিলে আ-গ্নে-য়াস্ত্র কি করছে? বাইরে থেকে গুঁড়া ভাড়া করে আনা হয়েছিল এমনটা মন্তব্য উঠে আসে। তবে পাল্টা জবাব দিতে থামে নি গেরুয়া শিবির ।

যুব ভারতীয় সর্বাধিক সম্পাদক তেজশ্রী সূর্য জানান যে” যুব মোর্চার এই নবান্ন অভিযানে রীতিমত ভয় পেয়েছেন মমতা ব্যানার্জি । তাই তিনি নবান্ন বন্ধ করে রেখেছেন । আসলে দেখতে গেলে নবান্ন পাঁচ বছর ধরে বন্ধ । কোন কাজ হয়নি। পশ্চিমবঙ্গে বেড়ে চলেছে বেকারত্ব, রাজনৈতিক হত্যা’ ।গত দু’বছর ধরে মমতা সরকার হত্যা করেছে ১২২ জন বিজেপির রাজনৈতিক কর্মী কে  ”

শুধু মাত্র এখানেই তিনি থেমে থাকেননি। তিনি বলেছেন রাজ্যে ফ্যাসিস্ট সরকার চলছে। আর মমতা ব্যানার্জি তার নিকৃষ্ট উদাহরণ । মমতা ব্যানার্জি চোখে যে ভ-য় দেখা যাচ্ছে এই ভয়টা ভারতের জন্য ভালো। ভালো পশ্চিমবঙ্গের জন্য । আগামী নির্বাচনে বিজেপি ক্ষমতায় আসবে এটা নিশ্চিত ।”

এর পাশাপাশি ঐদিন নবান্ন অভিযান যে জলকামান ব্যবহার করা হয়েছিলো সেই জলকামানের বিষাক্ত কেমিক্যাল মেশানো ছিল এমনটাই অভিযোগ উঠেছে গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে। যদিও এ কথা পুরোপুরি অস্বীকার করেছে শাসক দল । তবে সামনের ভোটকে মাথায় রেখে কে আসতে চলেছে বাংলায় ক্ষমতায় তা শুধুমাত্র সময় বলবে । আর বলবে জনগণ ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button