ধারের 20 লক্ষ টাকা ফেরত চেয়ে অনুব্রতকে ফোন করে খু’নের হু’মকি তৃণমূলের দলেরই বড় নেতার, গ্রে’ফতার সেই নেতা!

নিজস্ব প্রতিবেদন:- সামনে বিধানসভার ভোট, কার্যত সেই ভোটকে মাথায় রেখে শাসক দল থেকে শুরু করে বিরোধী দল সকলেই বেশ সক্রিয় ।সক্রিয় যেমন বাস্তবের মাটিতে ঠিক তেমনি সক্রিয় সোশ্যাল মিডিয়াতেও ।বেশ কিছুদিন আগে বিজেপি দ্বারা ফেক ছবি ছড়ানোর জন্য হুঁশিয়ারি দিয়েছিল রাজ্য । কিন্তু নিজেরই দলের কর্মী যদি হুমকি দেয় তাহলে কেমন লাগবে? কি প্রভাব পড়বে রাজনৈতিক মহলে ?উত্তর খুঁজছেন অনেকে ।

সম্প্রতি একটি অ-ভি-যো-গ দায়ের করা হয় গুসকরার পুরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলর নিত্যানন্দ চট্টোপাধ্যায় বিরুদ্ধে । খুনের হু-ম-কি-র অ-ভি-যো-গ ওঠে তার বিরুদ্ধে এবং যাকে নিয়ে এই খুনের অ-ভি-যো-গ সে আর কেউ নয় ,বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল । তৃণমূলের কথা বললেই রাজনৈতিক মহলের বলাবাহুল্য বি-রো-ধী রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতামত গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব তৃণমূলের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এবার কি তারই প্রমাণ পেল সাধারণ মানুষেরা ?।

গুসকরা পুরসভার ওই অঞ্চলে নিত্যানন্দ চট্টোপাধ্যায় এর জনপ্রিয়তা বেশ ভালো ।পুরসভার কাউন্সিলর ছিলেন দীর্ঘদিন। এখন সেই পদ না থাকলে জনপ্রিয়তা রয়েছে আগের মতোই।  তাছাড়া তৃণমূলের জন্ম লগ্ন থেকেই নিত্যানন্দ চট্টোপাধ্যায় দলের এক সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিল । এহেন অবস্থায় আউসগ্রাম এর এক তৃণমূল কর্মী অ-ভি-যো-গ দা-য়ে-র করেন নিত্যানন্দ চট্টোপাধ্যায় বি-রু-দ্ধে। তার অ-ভি-যো-গ যে তিনি বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল কে টাকা চেয়ে খুনের হু-ম-কি দিয়েছে । কাজেই তার প্রাণ সংশয় আছে ।

এই অ-ভিযো-গের ভিত্তিতে গুসকরার পুলিশ সেদিন স্কুল মোড় থেকে গ্রে-প্তা-র করে নিত্যানন্দ চট্টোপাধ্যায় কে এবং জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে । উঠে আসে চা- ঞ্চ-ল্য-কর বক্তব্য। তিনি জানান যে “স্ত্রীর অসুখের জন্য কেষ্ট মণ্ডল আমার কাছ থেকে কুড়ি লক্ষ টাকা ধার নিয়েছিল ।তিন-চার মাসের মধ্যে ফেরত দেবে বলেছিল। বিশ্বাস করে দিয়েছিলাম ।কিন্তু এখন আর তা দিচ্ছে না। আমার কাছে তার প্রমাণ আছে। ভবিষ্যতেও আমি আবার আমার টাকা চাইবো । তাই আমি হু-ম-কি দিয়েছি ।

তবে ব্যাপারটি সম্পূর্ণ ভাবে অস্বীকার করেছেন জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। এ ব্যাপারে অনুব্রত মণ্ডল জানান যে “তার কাজই হলো হুমকি দিয়ে বেড়ানো, বিভিন্ন বিনা লাইসেন্সে আ-গ্নে-য়া-স্ত্র কারবার আছে তার” । তবে ব্যাপারটি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে ঘোর জল্পনা । এখন দেখার বিষয় যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কে সরিয়ে রেখে এগিয়ে যায়, নাকি ফের গোষ্ঠী দ্বন্দ্বে লিপ্ত হয় শাসকদল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button