লাদাখে চিনাদের প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ভারতীয় সেনাদের খাবার জোগাচ্ছেন গ্রামবাসীরা, দিচ্ছেন প্রয়োজনীয় ওষুধ-জল!

নিজস্ব প্রতিবেদন:-ইন্দো-চীন সীমান্ত সীমান্ত রয়েছে এখন যুদ্ধের আবহাওয়া ।দুই দেশ সীমান্তে বাড়ছে সেনাবাহিনী এ ঘটনা আমাদের সকলের জানা। বেশ কিছুদিন আগে ভারত সরকার তরফ থেকে ভারতের ওপর নজরদারি রাখার জন্য ২২৮টি চাইনিজ এক নিষিদ্ধ করেছে। এর ফলে এক বড় আর্থিক ধাক্কা খেয়েছি চীন এমনটাই মতামত অনেকের। তবে কিরকম আছে সীমান্তে থাকা সেনা রা? বা গ্রামবাসী রা? এই চীন সীমান্তে থাকা সেনাদের খাবার এবং প্রয়োজনীয় জিনিস জোগান দিচ্ছেন সীমান্ত লাগোয়া একটি ছোট্ট গ্রাম।

পূর্ব লাদাখের চীন সীমান্তে চুশুল নামক ওই গ্রামে ১০০ থেকে ১৫০ টি পরিবারের বাস । হাড়ভা-ঙ্গা পরিশ্রম করে এই গ্রামের বাসিন্দারা । ক্রমাগত প্রয়োজনীয় এবং খাবার যুগিয়ে চলেছে ভারতীয় সেনাদের । তবে শুধু যে ভালোবাসার কারণে এরূপ কাজ তা কিন্তু নয় নিজেদের গ্রামকে রক্ষা করতে মরিয়া গ্রামবাসীরা । তাই প্রচন্ড শীতে যাতে কোনো অসুবিধা না হয় সেনাদের সেই জন্য এই প্রয়াস ।তাই এই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া ।

ওই গ্রামের মহিলা থেকে ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা প্রতিদিন বারবার হিমালয়ের পাহাড়চুড়ো ব্ল্যাক টপে উঠে আসেন । সেখানে আছেন কয়েকশো ভারতীয় সেনা, তাঁদের কাছে তাঁরা রসদ পৌঁছে দেন। এখানের গ্রামবাসীরা ভারী ভারী ডাফেল ব্যাগ, চালের বস্তা, জ্বালানির ক্যান ও বাঁশের ছড়ি পিঠে বেঁধে ব্ল্যাক টপে উঠতে দেখা যায়। চীন সীমান্তে থাকা ওই গ্রামবাসীদের বক্তব্য যে তারা যদি সেনাদের সাহায্য না করে, রসদ না জোগাই তাহলে হয়তো গ্রামকে আর রক্ষা করতে পারবে না তারা ।

এই প্রসঙ্গে সেখানে এক বছর আঠারোর শেরিং জানান ” আমরা ভারতীয় সেনাকে সাহায্য করছি, যাতে তাদের নিজেদের জমি ধরে রাখতে কোনও সমস্যা না হয়। দিনে অসংখ্যবার ব্ল্যাক টপে উঠে এসে রসদ জোগাচ্ছি আমরা, যাতে সেনাকে কোনও অসুবিধেয় না পড়তে হয়। ” । সরকার এর সাথে সাথে দুশ্চিন্তার পারদ ক্রমশ বাড়ছে সীমান্তে থাকা ওই গ্রামবাসীর । তাদের বক্তব্য যতই ভারত চীনের সাথে আলোচনা করুক না কেন বাস্তবে পরিস্থিতি শান্ত হবার কোন লক্ষণ এর দেখা মেলে না ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button