হাওড়া-শিয়ালদা স্টেশনে এবার থেকে আর করতে পারবেন না এই কাজ, করলেই হবে কড়া শাস্তি, হতে পারে জেল!

নিজস্ব প্রতিবেদন :-দেশজুড়ে আনলক পর্ব ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। মানুষের মধ্যে কৌতূহলের শেষ নেই তার মধ্যে বড় কৌতুক হলো কবে থেকে চলবে এই লোকাল ট্রেন ? ।এ বিষয়ে রেলের রেল বোর্ডের চেয়ারম্যান জানিয়েছেন যে সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলি থেকে গ্রিন সিগন্যাল পেলে চলবে ট্রেন । কাজেই স্টেশন পরিস্কারের কাজ এখন তুঙ্গে।

আমরা জানি করোনা সাধারণত ড্রপলেট এর মাধ্যমে ছড়ায় ।অর্থাৎ হাঁচি ,থুতু ,ব্যবহৃত কোন জিনিসে সংস্পর্শে এলে ছড়াতে পারে এই সংক্র-ম-ণ ।দেশে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্র-ম-ণ ।সেই পরিস্থিতিতে মাথায় রেখে এবার বিভিন্ন রকম সতর্কবার্তা এবং নিয়মাবলী জারি করল রেল ।

ঐদিন প্রশাসনিক বৈঠকে রেলওয়ে বোর্ডের দেয়া বিবৃতি অনুযায়ী খুব শিগগিরই শুরু হতে চলেছে লোকাল ট্রেন। তাই স্টেশন চত্বর গুলিকে পরিষ্কার রাখার কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে । শিয়ালদা ,আসানসোল ,হাওড়া ,সহ বিভিন্ন সাব ডিভিশন গুলিতে পরিষ্কারের কাজ চলছে নিয়মিত। নিয়মে আসছে বড় পরিবর্তন ।

স্টেশন হোক বা বাড়ির আশপাশ সমস্ত জায়গা পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই। তাই সরকারের কর্তৃক হয়ে শুরু হয়েছে “স্বচ্ছ ভারত অভিযান” । আমরা সকলে জানি স্টেশন চত্বর বা প্লাটফর্মে থুতু ফেললে ৫০০ টাকা জরিমানা আছে কিন্তু মানা হয় ঠিক কতটা ? । এ বিষয়ে হাওড়ার ডিআরএম ইশাক খান বলেন “নোংরা ছড়ানো একটা আইনত অপরাধ তবে এটি রুখতে ঠিক কি ব্যবস্থা , কিভাবে প্রয়োগ করা হবে সে বিষয়ে এখনো পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি আলোচনা চলছে”।

আপনাদের জানিয়ে রাখি গত ১৬ ই সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে স্বচ্ছ ভারত অভিযান। স্টেশনগুলোকে করা হচ্ছে ঝাঁ চকচকে পরিষ্কার। স্টেশন এর আশেপাশে লিফলেট থেকে শুরু করে সাইনবোর্ড ,পোস্টারে দেওয়া হচ্ছে বিশেষ সতর্কবার্তা এবং নিয়মাবলী। প্ল্যাটফর্ম এর ভিতর যেসব দোকানগুলো থাকে সেই দোকান গুলি থেকে ব্যবহৃত জিনিসপত্র গুলি একটি নির্দিষ্ট জায়গা ফেলার পরামর্শ দিয়েছেন ।

হাঁচি ,কাশি ,কফ ,থুথু ফেলা যাবে না যেখানে সেখানে । স্যানিটাইজার এবং মাস্ক এর ব্যবহারের উপর বিশেষ নজর দিয়েছে রেল। দপ্তর থেকে হাসপাতাল সমস্ত কিছু পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার কাজ চলছে। তবে প্রদত্ত নিয়মাবলী অমান্য করলে মিলবে কঠোর শা-স্তি ।

এক আরপিএফ তার অভিজ্ঞতা জানিয়ে বলেনশুধুমাত্র আইন করা করি হলেও চলবে না। নজর রাখতে হবে সেই আইন কতটা সৎ ব্যবহার হচ্ছে। বেশি করাকরী হলে যাত্রীর হয়রানি বাড়বে, বদনাম হবে রেলের ।” তবে সমস্ত রকম পরিস্থিতি মাথায় রেখে সমস্ত রকম সতর্কবার্তা এবং নিয়মাবলী জারি করেছে রেল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button