“এরকম করে অফিস-বাড়ি ভে’ঙে কতজনের মুখ বন্ধ রাখবেন?”- উদ্ধব ঠাকরেকে তীব্র আ’ক্রমণ কঙ্গনার!

সুশান্ত সিংহ রাজপুতের মৃত্যুর পর থেকেই মহারাষ্ট্র সরকার ‌ও মুম্বাই পুলিশের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন বলিউডের ‘ক্যুইন’ অর্থাৎ কঙ্কনা রানাউত।সেই সময় থেকেই শিবসেনার সাথে অভিনেত্রীর বিরোধের শুরু হয়।এই বুধবার কঙ্কনার রানাউতের অফিস ভাঁঙচুর সেই বিরোধের আগুনে ঘৃতাহুতি দেওয়ার মতো ঘটনা।

বুধবার সকাল থেকেই কঙ্কনার অফিস ‘মণিকর্ণিকা ফিল্মস’ ভাঁঙার কাজ শুরু করে বিএমসি।বিএমসি-এর দাবী কঙ্নার অফিসটি বেআইনীভাবে নির্মিত।কিন্তু অফিস ভাঁঙা শুরু হতেই বোম্বে হাইকোর্টে যান অভিনেত্রী।ভার্চুয়াল শুনানিতে অভিনেত্রী জানান তার কাছে থাকা অফিস তৈরী সংক্রান্ত সমস্ত কাগজপত্র‌ই আইনসম্মত এবং সঠিক।সেই মতো হাইকোর্ট থেকে অফিস ভাঁঙার কাজে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়।

স্থগিতাদেশ পাওয়ার পর থেকেই স্যোশাল মিডিয়ায় একের পর এক ট্যুইট করতে থাকেন অভিনেত্রী।মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী তথা শিবসেনা নেতা উদ্ধব ঠাকরকে নিশানা করে তিনি ১ মিনিট ১ সেকেন্ডর ভিডিও ট্যুইট করেন।ভিডিওতে তিনি বলেন-“উদ্ধব ঠাকরে তুঝে কেয়া লাগতা হ্যায়….উদ্ধব ঠাকর তোর কি মনে হয় ফিল্ম মাফিয়াদের সাথে হাত মিলিয়ে তুই আমার ঘর ভেঁঙে বদলা নিবি?আজ আমার ঘর ভেঁঙেছে,কাল তোর অহংকার ভাঁঙবে।”

শুধু তাই নয়,উদ্ধব ঠাকরের বংশ পরিচয় তুলে অভিনেত্রী বলেছেন বংশ পরম্পরায় ক্ষমতা ভোগ করছেন মুখ্যমন্ত্রী।কিন্তু যার যার সম্মান নিজেকেই অর্জন করতে হয়।এইভাবে উদ্ধব ঠাকর এইভাবে সকলের মুখ বন্ধ করতে পারবেন না।ফিল্ম মাফিয়াদের সাথে হাত মিলিয়ে উদ্ধব ঠাকর এই কাজ করে তার মুখ বন্ধ করতে চান বলে অভিনেত্রীর দাবী।

অভিনেত্রী কঙ্কনা রানাউত তাঁর অফিস ভাঁঙার ছবি ট্যুইট করে ‘পাকিস্তান’ লিখেছেন।আর পুলিশ কর্মী ও পুরসভা কর্মীকে ‘বাবর ও তার সেনা’ বলে তাদের ছবি ট্যুইট করেছেন।কঙ্কনার বিতর্কের আঁচ মহারাষ্ট্র জোটে‌ও পড়েছে।এই প্রসঙ্গে এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ার বলেন-“চলতি বিতর্কের আবহে বিএমসির এই পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।আমজনতার কাছে ভুল বার্তা যাবে।

“তিনি এ‌ও মনে করেন যে বিএমসি আসলে অভিনেত্রীকে ‘অপ্রয়োজনীয় প্রচার’ পাইয়ে দিচ্ছে।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে,আজ‌ই উদ্ধব ঠাকরের বাসভবনে গেছিলেন শরদ এবং এই প্রসঙ্গে উদ্ধব ঠাকরের সাথে দীর্ঘক্ষণ আলোচনাও করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button