রাতে ঘুমানোর আগে যে পানীয় ১ গ্লাস খেলে উ’ধাও মেদ-ভুঁড়ি!

বিংশ শতাব্দীর অন্ত এবং একবিংশ শতাব্দীর প্রাক্কালে অর্থাৎ দোরগোড়ায় আমরা আজ উপস্থিত। মানুষ একটি জীব যে কিনা নিজেকে প্রত্যেকটি কাজের সাথে কাজের বিভিন্নতা অনুযায়ী মানিয়ে নিতে সক্ষম। মানুষকে পৃথিবীতে সবচেয়ে বুদ্ধিমান ধূর্ত স্বার্থপর বলে বিবেচনা করা হয়। বর্তমান যুগে পা মিলিয়ে চলতে চলতে আমরা প্রতিনিয়ত ব্যস্ত হয়ে উঠেছি। আর এই ব্যস্ততার ফাঁকে কিছুটা হলেও নিজেকে সময় দেওয়া টা খুবই দুস্কর দুঃসাধ্য কাজ হয়ে দাঁড়ায়।

প্রতিনিয়ত এই নিজেকে সময় দিতে না পারাটা অনিয়মিত খাওয়া প্রচন্ড পরিমানে ফাস্টফুডের প্রচলন আমাদের জীবনকে ব্যতিব্যস্ত করে তুলেছে।আর তার সাথে সাথেই বিভিন্ন শারীরিক রোগ হাঁটু ব্যথা থেকে শুরু করে স্থূলতা শরীরে চর্বি জমা হার্টের প্রবলেম কিডনির প্রবলেম আরো অন্যান্য স্নায়ু ঘটিত রোগ আমাদের মধ্যে বাসা বাঁধছে।

বর্তমান যুগে চটজলদি কিছু খাবার যেটাকে আমরা সহজ কথায় ফাস্টফুড বলে থাকি, ফাস্টফুড কিন্তু 6 থেকে 60 সকলের কাছেই প্রিয়।মনে হয় এই ফাস্টফুডে খেয়ে নিলে চটজলদি যেন পেটটা ভরে ওঠে কিন্তু একদিকে যেমন সেটা ঠিক তার ফলে কিন্তু বাসা বাঁধছে বিভিন্ন ধরনের জটিল রোগ।

এই চটজলদি ফাস্টফুড খাওয়ার ফলে স্থূলতা সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে পেটের মেদ অর্থাৎ যেটাকে বাঙালিরা সহজ কথায় ভুঁড়ি বলে থাকে সেটা কিন্তু প্রতিনিয়ত কিছু মানুষের উত্তরোত্তর বাড়ছে।এই পেট কমানোর জন্য আমরা নিজেকে কোনো-না-কোনো জিম কিংবা ঘরে কিছু অত্যাধুনিক মেশিনের দ্বারা কিংবা কোনো ওষুধ সেবন করার মাধ্যমে কমাতে চাই। সারাদিন অফিস ফেরত ক্লান্তির পর নিজের শরীরের দিকে আর তাকাতে ইচ্ছা করে না। তখন শুধুমাত্র জানান দেয় ঘরের সেই স্তব্ধ সময় সেই সুসজ্জিত বিছানাটি।

প্রাচীন যুগের মানুষেরা ব্যস্ত থাকতেন কিন্তু তখনকার দিনে মানুষকে কায়িক পরিশ্রমের দ্বারা নিজেদের খাবারটির ব্যবস্থা করতে হতো আর তার সাথে অনেক ধরনের খেলাধুলার চর্চা ছিল। মানুষ মাইলের পর মাইল পথ পায়ে হেঁটে কোন জুতোর অবলম্বন ছাড়াই হেঁটে চলে যেতেন। সেই জন্যই হয়তো প্রাচীন যুগের মানুষেরা আমাদের দিদিমা ঠাকুরদা ঠাকুরমা রা অনেক বেশি সক্ষম সচল আমাদের থেকে অনেক বেশি কর্মঠ।

তাই বর্তমান যুগে নিজের মেদ ভুড়ি কমানোর জন্য রমরমিয়ে গজিয়ে উঠেছে কিছু জিম ব্যবসা আর তার সাথে কিছু ডায়েট এশিয়ানের বাজারে উৎপাত তার সাথে আধুনিকতার ডায়েটিং প্ল্যান। এই ডায়েট প্ল্যান কিছু বালক-বালিকারা নিজেদেরকে সমাজে মেলে ধরার জন্য ডায়েট প্ল্যান করার চিন্তা-ভাবনা করেন এবং এর ফলে কম পরিমাণ খাদ্য গ্রহণের ফলে তাদের শরীরের দুর্বল হয়ে পড়ে।

তাই আজ হয়তো চটজলদি একটি ট্রিকস আপনাদের সামনে তুলে ধরব যেটা কিনা অতি সহজেই এক চুটকি তেই আপনার ভুঁড়িকে করে দিতে পারে ভ্যানিশ। এই পানীয়টি রোজ রাতে মাত্র এক গ্লাস করে পান করলে যেমন শরীর ভালো থাকবে সাথে ভুঁড়ি মেদ ক্রমশ ঝরবে।

এর জন্য একটিমাত্র পাতিলেবু একটি সহসা এক চামচ আদা বাটা আর কিছুটা পার্সলে পাতা কে ব্লেন্ডারে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিলেই রেডি ঘরোয়া টোটকা। প্রতিদিন রাতে শোবার আগে এক গ্লাস পান করলে এক সপ্তাহের মধ্যে সেই তরতাজা সুঠাম শরীর ক্রমশ ফিরে আসবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button