কলকাতার কাছে চেন্নাইয়ের হারের জন্য ধোনির ছোট্ট মেয়ে জিভাকে ধ’র্ষ’ণে’র হুমকি, রইলো সেই ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদন:-কথা আছে খেলায় হার জিত থাকবে। শুধুমাত্র খেলা নয় যে কোন প্রতিযোগিতায় হার-জিত অবশ্যই থাকবে । একদল জিতে এবং একদল হারে । যে দল জেতে তারা সেলিব্রেট করে তাদের জয় কে এবং যারা হারে তারা সেই হার থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যায় ভবিষ্যতে ।

এর জন্য কোন কুরুচিকর মন্তব্য করাটা মানসিক সুস্থতার পর্যায় পরেনা । কিন্তু এদেশে এমন অনেক মানুষ আছেন যারা শুধুমাত্র হেরে যাওয়ার কারণে কুরুচিকর মন্তব্য করে বসেন একে অপরের বি-রু-দ্ধে। এবং ধীরে ধীরে এই মন্তব্য আর ধারালো হতে থাকে । ঠিক সেরকমই একটি ঘটনার সাক্ষী থাকলো এবছর আইপিএল।

কোরোনার কারণে দেরিতে শুরু হয়েছে আইপিএল । এবং ভারতের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক থাকার জন্য দুবাইয়ে আয়োজন করা হয়েছে আইপিএল এর । কিন্তু এই আইপিএল কে ঘিরে উঠে এলো কুরুচিকর মন্তব্য । তাও আবার ভারতীয় প্রাক্তন অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির ছোট্ট ফুটফুটে মেয়েকে জিভ কে নিয়ে ।

শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে কেকেআরের দেওয়া ১৬৮ রানের টার্গেট ছুঁতে না পারায় ধোনি, কেদার যাদবকে তো একপ্রস্থ সোস্যাল মিডিয়ায় যা নয় তা বলে নিন্দা, আ-ক্র-ম-ণ করছে কিছু বিকারগ্রস্ত লোকজন। এবার তাদের রোষ থেকে রেহাই পেল না ছোট্ট জিভাও।

সেদিন ধোনি ১৭-তম ওভারে চক্রবর্তীর বলে ১২ বলে মাত্র ১১ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। ২১ বলে ৩৯ রান দরকার ছিল সিএসকে-র। শেষ ওভারে ২৬ রান তুলতে হোত। রবীন্দ্র জাডেজা চালিয়ে খেললেও শেষরক্ষা হয়নি। আন্দ্রে রাসেলের বলে বোল্ড হন। কেকেআর জিতে যায় ১০ রানে।

এরপরই সিএসকে ভক্তদের নি-শা-না হন ধোনি, তার স্ত্রী এবং তা ছোট্ট মেয়ে । এবং সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রকাশ্যে ছোট্ট মেয়েকে রে’প করার হু-ম-কি দেয় কোন এক সমর্থক । এ ঘটনা সামনে আশাতে রীতিমতো চা-ঞ্চ-ল্য ছড়িয়েছে । তার সাথে সাথে ক্ষো-ভে- ফেটে পড়েছেন অনেকে। সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে চলছে প্রতিবা-দ ক্যাম্পেইন ঝড়।

ক্রিকেট মাঠে প্রতিটা খেলোয়াড় চাই সে তার সেরা পারফরম্যান্স দিতে এবং দলকে তুলে ধরতে । কিন্তু কখনো কখনো তা হয়ে ওঠে না । তা বলে এই ধরনের মন্তব্য মোটেও কাম্য নয়। এ ধরনের মন্তব্য যারা করেন তারা মানসিক বিকারগ্রস্ত এর আগেও বিরাট কোহলির অসফলতা কে নিয়ে সুনীল গাভাস্কার করেছিলেন অনুষ্কা শর্মা কে। ধোনির উপর আশায় এই ধরনের মন্তব্য নিয়ে সরব হয়েছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার ইরফান পাঠান ।

তিনি কি টুইট করেন এবং টুইটারে লেখেন ” হতেই পারে ক্রিকেটারদের সেরাটা সবদিন মাঠে দেখা যায় না, কিন্তু তা বলে কারও একটা বাচ্চাকে শাসানোর, হু-ম-কি দেওয়ার অধিকার নেই। সব প্লেয়ারই তাঁদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করে, কিন্তু সব দিন সমান ভাল খেলা যায় না। কিন্তু সেজন্য একটা শিশুকে হু-ম-কি দিতে পারে না কেউ!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button