১৯১৮ সালের স্প্যানিশ ফ্লু-এর তুলনায় দ্রুত নিশ্চিহ্ন হবে করোনা, কিন্তু দুই বছর সময় লাগবে, আশ্বাস WHO প্রেসিডেন্টের!

ক’রোনা’র আবহে ভারত তথা সারা বিশ্বে মৃ’ত্যু’র একটা কা’লো ছায়া ঘনিয়ে এসেছে। আমেরিকা, রাশিয়া, ভারত, ব্রাজিল, পাকিস্তান, বাংলাদেশ প্রভৃতি সহ আরো অন্যান্য দেশে ক’রোনা দা’পিয়ে স’ন্ত্রা’স চালাচ্ছে। সকলেই মৃ’ত্যুর আতঙ্কে প্রহর গুনছেন। কবে সমস্ত কিছু স্বাভাবিক হবে সেই আশায় দিন গুনছেন সকলেই। এক লহমায় সমস্ত চেনা পরিচিত চিত্রগুলোকে পাল্টে দিয়েছে এই মারণ রো’গ।

ভারতে মহারাষ্ট্রের মধ্যে ক’রোনার প্র’কোপ সবথেকে বেশি দাঁড়িয়েছে। রাশিয়া ক’রোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কার করেছে। ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট‌ও খুব শীঘ্রই ভ্যাকসিন আবিষ্কার করে ফেলবে বলে জানিয়েছে। অবশেষে একটু আশার আলো দেখছে বিশ্ববাসী।গত শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলনে একটি আশার কথা জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। ও বলেছে ১৯১৮ সালের স্প্যানিশ ফ্লু যা ভ’য়া’বহ বিশ্ব ম’হামা’রী আকার ধারণ করেছিল সেই স্প্যা’নিশ ফ্লু এর থেকেও খুব দ্রুত নিয়ন্ত্রনে আনা যাবে এই করো’নাভাই’রাস কে।

এই আশ্বাস দিয়েছেন হু এর প্রধান তেদ্রজ আধানমে গেব্রিইসাস। জেনেভায় হু এর সদর দপ্তরে সাংবাদিক সম্মেলনে তেদ্রজ এই কথা বলেছেন। ১৯১৮ সালের স্প্যানিশ ফ্লু তে সারা বিশ্বের প্রায় ৫ কোটি মানুষ প্রা’ণ হা’রিয়েছি’লেন। সারা পৃথিবী জুড়ে সং’ক্রা’মিত হয়েছিলেন প্রায় ৫০ কোটি মানুষ। এই মহা’মারী’র তা’ণ্ডব’লী’লা চলেছিল ১৯১৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে ১৯২০ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত।

আধানমে বলেছেন, “আগের তুলনায় আজ বিশ্বের টেকনোলজি এবং যোগাযোগব্যবস্থার অনেক অগ্রগতি ঘটেছে। এই যোগাযোগ ব্যবস্থার ফলেই তড়িৎগতিতে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে এই মা’রণ ক’রো’না ভাই’রা’স। কিন্তু ১৯১৮ সালে যোগাযোগ ব্যবস্থা কতটা উন্নত না থাকায় স্প্যানিশ ফ্লু আরো ব্যাপক হারে ছড়াতে পারেনি।

তবে বর্তমানে আমরা চিকিৎসাশাস্ত্র এবং টেকনোলজি তে এগিয়ে রয়েছি। তাই প্রযুক্তি এবং বিজ্ঞানের ব্যবহার এর দ্বারা আমরা তারাতাড়ি ভ্যাকসিন তৈরি করে নিতে পারব যার ফলে স্প্যানিশ ফ্লু এর থেকে কম সময়ে ক’রো’না কে দূর করে দিতে পারব। আগামী দুই বছরের মধ্যে এই ক’রোনা মহা’মা’রীকে নির্মূল করা যাবে বলে আমরা আশা করছি।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button