খালি গলায় দারুন কায়দায় নেহা কক্করের সাথে ভিডিও কলেই গান গাইলো চাঁদমনি, হারালো নেহাকেও, ভাইরাল ভিডিও

নিজস্ব প্রতিবেদন :-বর্তমান যুগে সোশ্যাল মিডিয়া এমন একটি প্লাটফর্ম বা হা-তি-য়ার যাকে কাজে লাগিয়ে বহু প্রতিভা যেগুলো আমাদের চোখের আড়ালে থেকে যায় চিরকাল সেই সমস্ত প্রতিভা উঠে আসে সামনে । যুক্ত হয় ভাইরাল নামক শব্দটি । নিমিষের মধ্যে প্রতিভা ছড়িয়ে পড়ে দেশের তথা পৃথিবীর রাজপথ থেকে অলিতে-গলিতে।

কিন্তু যতবারই কোন কিছু ভাইরাল হয়েছে বা আমাদের নজরে এসেছে ততবারই আমরা দেখেছি কোন সাধারণ সম্প্রদায়ের মানুষদের উঠে আসতে । আদিবাসী সম্প্রদায় মানুষদেরকে এগিয়ে আসতে খুব কমই দেখেছি। হয়তো আসতে পারে না আসতে দেওয়া হয় না ।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি গানের ভিডিও ভাইরাল হয় যেখানে দেখা যায় এক আদিবাসী সম্প্রদায়ের মেয়ে তার দুর্ধর্ষ কণ্ঠস্বর দিয়ে গেছেন নেহা কক্কর একটি গান ।আদিবাসী সম্প্রদায়ের সেই মেয়েটির নাম চাঁদমণি। সংসারে অভাব-অনটন লেগেই থাকে, দুবেলা দুমুঠো ভাত জোটে কিনা তাও সন্দেহ আছে কিন্তু এই লড়াকু মেয়ে পড়াশোনার সাথে সাথে চালিয়ে গেছে গান ও। তার দুর্ধর্ষ কণ্ঠস্বরে রীতিমতো জয় করে নিয়েছে ইতিমধ্যে লক্ষ লক্ষ শ্রোতা-দর্শক বন্ধুর মন ।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায় এই আদিবাসী সম্প্রদায়ের মেয়ে চাঁদমণি তার দুর্ধর্ষ মিষ্টি কন্ঠস্বর দিয়ে নেহা কক্করের ” মিলে হো তুম হামকো ” গানটি ফাঁকা গলায় গেয়েছে । তারপর আর অপেক্ষা রাখে নি , ঘুরেও তাকাতে হয়নি তাকে আর পিছন দিকে । মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায় চাঁদমণি। এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় নেহা কক্কর এর সাথে জুটি বেঁধে আবারো গাইলেন তার গান ।

কোন গানের প্রশিক্ষণ পেয়েছে কিনা তা জানা নেই তবে তার গলা যে ঈশ্বর প্রদত্ত এ বিষয়ে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই । ভিডিওটি সবার সামনে আসতে না আসতেই কমেন্ট সেকশনে বেড়েছে উষ্ণতা । এসেছে প্রচুর মানুষের শুভেচ্ছা ভালবাসা এবং অভিনন্দন । সাদরে আমন্ত্রণ করেছে এই চাঁদমনি কে ।

কয়েকদিন আগেও সন্দীপন মুখার্জির পরিচালনায় ‘ভালোবেসেছি তাই হেরেছি’ গানটি গেয়ে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছেন চাঁদমণি। আদিবাসী সম্প্রদায়ের মেয়ে হয়েও তার গানের গলা কিন্তু সত্যিই অসাধারণ, তা এক বাক্যে স্বীকার করতেই হয়। তার এই প্রতিভাকে জনসমক্ষে তুলে ধরেছেন তার দুই শিক্ষক। ইতিমধ্যেই সে তার অসাধারণ গলার জন্য সকলের মন জয় করে নিয়েছে। মানুষ চাই জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে যে প্রাপ্য যাদের প্রাপ্যতা পাওয়া দরকার । এগিয়ে আসুক সকল সম্প্রদায়ের মানুষ এরকমই আরো একবার প্রমান করলো প্রত্যন্ত আদিবাসী গ্রামে এই চাঁদ মনি ।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button