চলছে বাজেট অধিবেশন, মোবাইলে নীল ভিডিও দেখছেন সাংসদ! ভাইরাল ভিডিও দেখে উঠলো সমালোচনার ঝড়! রইলো ভিডিও

সংসদ এমন একটি জায়গা যেখানে নির্বাচিত জন প্রতিনিধিরা দেশের ভিন্ন গুরুত্বপূর্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন । কি করলে দেশ এগিয়ে যাবে, উন্নতশীল হবে বা দেশের যে সব সমস্যা সেই সমস্ত সমস্যা কি ভাবে সমাধান করা যায় সেই সমস্ত জটিল গুরুত্বপূর্ন সিদ্ধান্ত মূলত সংসদে নেওয়া হয় । সিদ্ধান্তে এক গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা থাকে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির । কিন্তু সেই গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বসে ঠিক কতটা মনোযোগ নিয়ে কাজ কর্ম করেন এই জনপ্রতিনিধিরা?

সংসদে , এই মনোযোগ বা সক্রিয়তা ঠিক কতটা সে বিষয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে থাইল্যান্ডের এক জনপ্রতিনিধিকে । গুরুত্বপূর্ণ এক বাজেট অধিবেশন চলাকালীন দেখা যায় সেই জনপ্রতিনিধিকে মত্ত থাকতে পর্নোগ্রাফি দেখতে । মুহুর্তের মধ্যে ভাইরাল হয় সেই ভিডিও।

এরপরের ঘটনা টা আমাদের সবারই জানা । একের পর এক প্রশ্নের মুখে জর্জরিত হতে থাকেন ওই জনপ্রতিনিধি । কিন্তু অবাক কান্ড ওই জনপ্রতিনিধি কোনো অপরাধবোধ বা কুন্ঠিত বোধ করেননি । রণথেপের পরিষ্কার বক্তব্য যে ” কোন এক মহিলা সাহায্যের আরতি জানিয়ে তাকে এই ছবিগুলি পাঠায় এবং সেই মুহূর্তে সেই মহিলাটি কে সাহায্য করা তার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হয়েছিল ” ।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য তিনি আরো বলেন ” ছবিগুলি খুঁটিয়ে বিচার করছিলেন তিনি যে সেই মহিলা ঠিক কতখানি বিপদে আছেন তা নিশ্চিত হতে “। কিন্তু তার বক্তব্যের সাথে বাস্তবের কোন মিল খুঁজে পাননি আমজনতারা । ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যায় সেগুলি খাঁটি নীল ছবি ।

ইতিমধ্যে তার এই অশ্লীল আচরণের জন্য সমালোচনায় উত্তাল গোটা দেশ ।সংবাদমাধ্যম থেকে শুরু করে সাধারণ জনগণ ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন । তবে এর প্রভাব বিন্দুমাত্র পড়েনি ওই জনপ্রতিনিধির জীবনে । তিনি স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছেন “তার মোবাইলে তিনি কখন কি দেখবেন সেটা একান্তই তার নিজস্ব ব্যক্তিগত ব্যাপার “।

যদিও সংসদে বসে এরকম অশ্লীল আচরণের জন্য শাস্তিমুলক কোন আইন সেই দেশে নেই তবুও সরকার ওই জনপ্রতিনিধির কাছে জবাব চেয়ে জরুরি তলব করেছেন। নীল ছবি দেখার জন্য কোন শা-স্তিমুলক আইন সেই দেশে না থাকলেও জনগণ এবং বিরোধীদের প্রশ্নের মুখে পড়ে থাইল্যান্ড সরকার কি কি পদক্ষেপ নেয় তা এখন উল্লেখ্য বিষয় ।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button