‘জনগনের টাকায় ধর্মের শিক্ষা নয়, মাদ্রাসা বন্ধ করতে চলেছে বিজেপি সরকার’

নিজস্ব সংবাদদাতা: ট্যাক্সের টাকায় কোন বিশেষ ধর্মের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালানো যাবেনা, এই আদেশ জানিয়ে সরকার পরিচালিত মাদ্রাসা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিল অসম সরকার। আগামী মাসেই এই বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি হবে, একথা জা‌নিয়েছেন অসমের মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তিনি জানিয়েছেন, “জনগণের অর্থে কোনও ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলতে পারে না।”

জনগনের টাকায় ধর্মের শিক্ষা দেওয়া যাবেনা। এই ভাবনার বশবর্তী হয়েই মাদ্রাসা বন্ধ করতে চাইছে বিজেপি সরকার। অসমে সরকার পরিচালিত মাদ্রাসা আছে ৬১৪ টি। সরকারি মাদ্রাসাগুলিতে প্রতিবছর অসম সরকারের খরচ হয় ৩ থেকে ৪ কোটি টাকা। এই বিপুল অর্থ ধর্ম শিক্ষাদান করে খরচ করা যাবেনা, জানাচ্ছে অসমের বিজেপি সরকার। তাদের কথায়, জনগনের টাকা জনগণের উন্নয়নের কাজে ব্যয় উচিত।

হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানান, ‘‘সরকারি টাকায় কোনও ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালানোর অনুমতি দেওয়া হবে না। এই মর্মে নভেম্বরে আমরা একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করব। তবে বেসরকারি মাদ্রাসা নিয়ে আমাদের কিছু বলার নেই।’’

হিমন্ত বিশ্বশর্মার বক্তব্যের প্রত্যুত্তরে AIUDF নেতা তথা সাংসদ বদরুদ্দিন আজমল বলেছেন, “বিজেপি সরকার মাদ্রাসাগুলি বন্ধ করে দেয়, তাহলে আগামী বছরের বিধানসভা নির্বাচনে জিতে আবার তা চালু করব আমরা।”

AIUDF নেতা বদরুদ্দিন আজমল তীব্র প্রতিবাদ করে বলেন, “আপনারা মাদ্রাসা বন্ধ করতে পারবেন না। বর্তমান সরকার যতই জোর করে তা বন্ধ করুক না কেন, আমরা ৫০-৬০ বছরের এই মাদ্রাসাগুলি ফের চালু করব।”

এর সঙ্গেই হিমন্ত বিশ্বশর্মাকে প্রশ্ন করা হয় সংস্কৃত টোল নিয়ে। এর উত্তরে তিনি জানান “সংস্কৃত টোলের বিষয় টি ভিন্ন! সরকারি সংস্কৃত টোলের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার বিষয়ে কিছু অভিযোগ এসেছে। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখব।”

প্রসঙ্গত, সরকারি সংস্কৃত টোল আছে ১০০টির মত। সরকারি টোলে বার্ষিক খরচ প্রায় ১ কোটি টাকা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button