বড় খবর- দেওয়া হলো স্কুল খোলার অনুমতি, গাইডলাইন জারি করলো শিক্ষা দফতর!

নিজস্ব প্রতিবেদন:-করোনা জেরে রীতিমত বন্ধ হয়ে পড়েছিল শপিংমল রেস্তোরা বন্ধ হয়ে পড়েছিল শপিংমল রেস্তোরা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় গুলি । জীবনে টেনেছে ইতি এই লকডাউন । রীতিমতো লকডাউনে ঘর বন্দী হয়ে বন্দী হয়ে নাজেহাল সাধারণ মানুষেরা। তার সাথে সাথে নাজেহাল ছোট ছোট ছাত্র-ছাত্রী বা পড়ুয়ারা । বন্ধ হয়েছে স্কুলের ক্লাস রুম, ক্যান্টিন, বহুদিন হলো স্কুলের ব্ল্যাকবোর্ডে পড়েনি চকের দাগ ।

যদিও পড়াশোনা থেমে থাকেনি। বিকল্প পথ হিসেবে অনলাইনে মাধ্যমে পড়াশোনা জারি রেখেছে শিক্ষকরা। কিন্তু তবুও স্কুলে বসে পড়ার আমেজটা কি আর অনলাইনে পাওয়া যায়? কিন্তু এবার ফের আবার খুলতে চলেছে স্কুল-কলেজ বন্ধ হওয়া ক্যান্টিনের খোলার সময়। এসেছে , এবার এসেছে ব্ল্যাকবোর্ড পরিষ্কার করার সময় । ঠিক কবে থেকে খুলবে স্কুল জানাব আপনাদের জানাব আপনাদের জানাব আপনাদের খুলবে স্কুল জানাব আপনাদের জানাব আপনাদের স্কুল জানাব আপনাদের জানাব আপনাদের ।

করোনার জেরে বন্ধ হয়ে যাওয়া স্কুল কলেজ বা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলি ধাপে ধাপে ১৫ অক্টোবর থেকে খোলার অনুমতি দিলো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক । তবে এ বিষয় সম্পূর্ণ ছেড়ে দিয়েছেন রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তের উপর । কিভাবে স্কুল খোলা হবে এবং স্কুল খুললে কি কি সর্তকতা জারি করা হবে সেই সমস্ত নিয়ে একটি এস ও পি (sop) জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রক ।

শিক্ষামন্ত্রী ওই নির্দেশিকা অনুসারে স্কুল খোলার আগে স্কুলে বেঞ্চ , বিভিন্ন আসবাবপত্র জলের ট্যাংকি ,ক্যান্টিন সহ স্কুলে প্রতিটা কোণা আনাচে-কানাচে জীবাণুমুক্ত করতে হবে ভালোভাবে । এর পাশাপাশি স্কুল গুলি তে যে সব পুলকার বা বাস ব্যবহার হয়ে থাকে সেগুলির স্যানিটেশনে বিশেষ নজর রাখতে হবে। এই জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষকে একটি স্পেশাল টাস্কফোর্স গঠন করার অনুমতি দেন শিক্ষমন্ত্রী । বিভিন্ন এমার্জেন্সি ডিউটিতে সক্রিয় থাকবে তারা ।

এর পাশাপাশি যেসব স্কুলে মিড ডে মিল এর ব্যবস্থা রয়েছে সেই সমস্ত স্কুলের জারি করা হয়েছে বিশেষ সতর্কবার্তা । মিড ডে মিলের যাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় থাকে সে বিষয়ে নজর রাখতে হবে স্কুলকে। শিক্ষক এবং ছাত্রদের মধ্যে নির্দিষ্ট দূরত্বে থাকতে হবে ।শিক্ষক এবং ছাত্র এবং স্কুলের প্রতিটা কর্মীকে অবশ্যই মাস্ক পড়ে আসতে হবে ।

এর পাশাপাশি শিক্ষা মন্ত্রক জানিয়রছেন যদি ছাত্র বা ছাত্রী চায় যে তারা স্কুল এর বিকল্প পথ হিসেবে অনলাইনে পড়াশোনা করতে ইচ্ছুক কিছু সময়ের জন্য তাহলে স্কুল সেই পারমিশন দিতে বাধ্য। স্কুল কর্তৃপক্ষ কোনো রকম ভাবে পড়ুয়াদের স্কুলে আসার জন্য চাপ দিতে পারবে না । এখন শুধু অপেক্ষা রাজ্যগুলিতে ধীরে ধীরে খুলতে চলেছে স্কুল। স্বাভাবিক হতে চলেছে জীবন । ফের ছুটির পর দেখা যাবে একদল উন্মাদ ছাত্র-ছাত্রীদের দল ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button