ইলেকট্রিক বিল গ্রাহকদের জন্য বড় সুখবর, আর দিতে হবেনা অতিরিক্ত বিল, বড় ঘোষণা CESC এর!

বর্তমানে করোনার আ-ব-হে কাজ হারিয়েছেন বহু মানুষ। বাইরের রাজ্যে কাজ করতে যাওয়া বহু মানুষ দুটো খেতে পাওয়ার আশায় নিজেদের বাসস্থানে ফিরেছেন। কোনোরকমে দু মুঠো খেয়ে দিন গুজরান করছেন মানুষজন। রুজি রোজগারের সংস্থান হয়েছে অনিশ্চিত। তার উপরে বাজারে খাদ্যদ্রব্য সহ সব্জির অগ্নিমূল্য সব মিলিয়ে জেরবার হয়েছে মানুষ। তার উপর ম-ড়া-র উপর খাঁ-ড়া-র ঘা হয়ে এসে পড়েছিলো মোটা অঙ্কের বিদ্যুৎ বিলের বো-ঝা।

কলকাতা সহ সারা পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এই অতিরিক্ত বিলের বি-রু-দ্ধে সরব হয়েছিলেন। কলকাতায় সিইএসসির বি-রু-দ্ধে ক্ষো-ভ উগরে দিয়েছিলেন সাধারণ মানুষ। সিইএসসির অফিসে বি-ক্ষো-ভ‌ও দেখিয়েছিলেন অনেকেই। অনেকেই দাবি করেছেন গত জুলাইয়ে বিল পেয়েছেন তারা ৩০০০ টাকা কিন্তু এবারে এসেছে কারো ৫০০০ আবার কারো ৬০০০ টাকা। সর্বোচ্চ এক সাধারণ মানুষের ৪৩০০০ টাকার বিল এসেছে বলেও অভি-যোগ করা হয়েছিলো।

খোদ বিদ্যুৎমন্ত্রীকেই মোটা অঙ্কের বিল ধরিয়েছিলো সিইএসসি। মন্ত্রী শোভন দেব চ্যাটার্জিকে স্বাভাবিক বিলের থেকে ৫৭% অতিরিক্ত বিল পাঠিয়েছিলো সিইএসসি।পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের কারখানার বিল এসেছিলো ৩.৫ লক্ষ টাকা। সিইএসসি , রাজ্য বিদ্যুৎ বন্টন পর্ষদ সবক্ষেত্রেই এই বেলাগাম বিল নিয়ে মাথায় হাত পড়েছিলো সাধারণ মানুষের।বিদ্যুৎমন্ত্রীর সাথে বৈঠক করেছেন সিইএসসির দুই শীর্ষকর্তা।

এবার সেই জনতার দাবিমতো নবান্ন এই অতিরিক্ত পরিমাণ বিলের বিষয়ে মুখ খুলেছে। সিইএসসি কে তারা অ্যাডভাইজারি দিয়ে বলেছে যে, একমাসের মধ্যে সমস্ত বিশাল অঙ্কের বিলগুলোকে সংশো-ধন করুক সিইএসসি। সেই একমাস কারো থেকেই ইলেকট্রিক বিল আদায় করলে চলবে না। এমনকি কেউ বিল মেটাতে না পারলে তার বিদ্যুতের লাইন কেটে দেওয়া চলবে না। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে তিন মাসে মোট গড় বিল যেটা এসেছে তাতে অনেক কম অঙ্ক এ্যাডজাস্ট করা হয়েছে।

জুনে যে বিলটা দিচ্ছে সেটা গ্রাহকের চার মাসের আসল এবং মোট বিল। আর আগের তিন মাসের গড় বিল টা দেওয়া হয়নি। তিন মাস বাকি থাকা গড় বিলের সাথে চার মাসের আসল অঙ্ক যোগ করে মোট বিল আসছে। যার দরুন তিন মাসের প্রায় ডবল বিল দিতে হচ্ছে গ্রাহকদের।সিইএসসি জানিয়েছে, লকডাউন এর আগে গ্রাহকদের মার্চ মাসে ডোমেস্টিক মিটারের 1000 ইউনিট রিডিং দেখিয়েছিল।

জুন মাসের দেখা গিয়েছিল 2000 ইউনিট রিডিং। অর্থাৎ 4 মাসে 1000 ইউনিট বিদ্যুৎ গ্রাহকরা খরচ করেছেন। তাই 1000 ইউনিট কে 4 দিয়ে ভাগ করা হয় মাস প্রতি আসবে 250 ইউনিট বিদ্যুৎ খরচের বিল। এবার সিইএসসি গ্রাহকদের স্বস্তি দিয়ে ঘোষণা করেছে গ্রাহকদের শুধুমাত্র জুন মাসের 250 ইউনিটের টাকা দিলেই হবে।

বকেয়া বাকি টাকাটা গ্রাহকদের আর দিতে হবে না। এর ফলে স্বস্তি মিলেছে গ্রাহকদের। তবে সিএসসি জানিয়েছে শিল্প এবং বাণিজ্য ক্ষেত্রে এই ছাড় পাওয়া যাবে না। জুন মাসের নতুন বিল পাঠানো শুরু হচ্ছে এই বিলে গ্রাহকরা স্বস্তি পাবেন বলে জানিয়েছে সিইএসসি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button