বড় ঘোষণা- ২ লাখ টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী, কারা কারা পাবেন? রইলো বিস্তারিত

বিগত কয়েকমাস আগে বেকার যুবক যুবতীদের অর্থনৈতিক স্বনির্ভর করার উদ্দেশ্যে কর্মসাথী প্রকল্পের ঘোষণা করেছিলেন পশ্চিম বঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রতিটি আবেদন পিছু দুই লক্ষ টাকা ঋণ দেওয়ার পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে। রাজ্যের প্রতিটি জেলায় ও ব্লক স্তরে এই প্রকল্পের আবেদন পত্র খতিয়ে দেখার জন্য বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত করোনা মহামারী আতঙ্কে দীর্ঘ লকডাউনে একাধিক মানুষ তাদের নিয়মিত কর্মসংস্থান হারিয়েছেন। এই সময় দাঁড়িয়ে এমন একটি প্রকল্প রাজ্যর যুবক যুবতীদের মনে নতুন আশার সঞ্চার করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

কর্মসাথী প্রকল্পের আবেদন করার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি সহ নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে আবেদন করতে হবে। যে সমস্ত অত্যাবসকীয় নথি বা ডকুমেন্টস গুলো প্রয়োজন তারমধ্যে প্রয়োজন সচিত্র ভোটার পরিচয়পত্র, আধার কার্ড, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ঠিকানা প্রমাণপত্র এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণপত্র।

এই প্রকল্পের জন্য আবেদন করা যাবে অনলাইন এবং অফলাইন উভয় ভাবে। এই প্রকল্পের জন্য অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র এখনো পর্যন্ত বরাদ্দ করেছেন ৫০০ কোটি টাকা। আবেদনকারীরা কর্মসাথি অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে অথবা সরাসরি আবেদনপত্র জমা দিতে পারবে।

এম এস এম ই দপ্তরের তরফে কর্ম সাথী প্রকল্পের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। নূন্যতম ১৮ থেকে সর্বাধিক ৫০ বছর পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।আবেদনকারীর আবেদনপত্র খতিয়ে দেখার জন্য জেলা এবং ব্লক স্তরে তৈরি করা হয়েছে কমিটির।যোগ্য আবেদনকারী কে তিন বছরের জন্য ঋণ বাবদ ২ লক্ষ টাকা মাথাপিছু অর্থ সাহায্য করবে রাজ্য সরকার। তবে একটি পরিবার থেকে কেবল মাত্র একজন আবেদন করতে পারবেন এই প্রকল্পের জন্য। আবেদনকারীকে অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গে স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।

এই প্রকল্প থেকে ঋণ নিয়ে বেকার যুবসমাজ যে কোনো ব্যবসা বা উদ্যোগ শুরু করে দিতে পারবেন। আবেদনকারীর নিজের এবং বাংলার আরো কিছু কর্মহীন যুবক যুবতীর নতুন কর্মসংস্থানের একটি ব্যবস্থা হয়ে যাবে। মনে করা হচ্ছে কন্যাশ্রী বা যুবশ্রীর মতো পশ্চিমবঙ্গে এই প্রকল্প জনপ্রিয়তা পেতে পারে এবং সাধারণ মানুষদের নতুন কর্মসংস্থানের আশার আলো দেখতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button