ঘরে টিকটিকির উৎপাত? এই সহজ কার্যকরী টোটকা ব্যবহার করলে পরদিন থেকে জীবনে আপনার ঘরে আর টিকটিকি দেখতে পাবেন না!

বাঙ্গালীদের গৃহে বহু ধরনের প্রাণী দেখা মেলে তার মধ্যেই অদ্ভুত একটি প্রাণী হল টিকটিকি যে কিনা কোন মাধ্যাকর্ষণ শক্তি কে উপেক্ষা করেই দিব্যি দেওয়ালে হেঁটে চলে বেড়ায় হয়তো সেটা তাঁর জন্মগত নয় এর জন্য তার পা সেই ভাবেই তৈরি।কিন্তু টিকটিকিকে তাড়ানোর জন্য বহু মানুষ বহু উপায় কিমা অবলম্বন ব্যবহার করে থাকেন তা সত্ত্বেও তার ফলস্বরূপ হয় না কখনো কখনো দেখা যায় বিভিন্ন ধরনের স্প্রে ব্যবহার কিংবা কোন টোটকা কিংবা কোন ধরনের পেস্ট কন্ট্রোল কে ডেকে বাড়িতে তার কাজ করানো সব কিছু করার পরেও সেই পুনরাবৃত্তি অর্থাৎ টিকটিকি বিরাজমান।

তবে আজ কিছু টোটকা আপনাদের সামনে তুলে ধরব যেগুলো করলে টিকটিকি নিমেষে ভ্যানিশ।পৃথিবীতে এমন কোন দেশ নেই যেখানে টিকটিকি পাওয়া যায় না। প্রায় 600 প্রজাতির টিকটিকি বিরাজমান রয়েছে। টিকটিকি থাকাটা ক্ষতিকর নয় বলে জানা যায় উল্টে কিছুটা হলেও সাহায্য করে পোকামাকড় খেয়ে।একটি সুন্দর সুসজ্জিত বাড়ির মধ্যে যদি টিকটিকি দেওয়ালে কিংবা মেঝেতে হেঁটে চলে বেড়াতাম কখনোই শোভনীয় নয় বা অনেকেই পছন্দ করেন না তাই কিছু উপায় আছে যেগুলো ব্যবহারের মাধ্যমে টিকটিকি তাড়ানো সম্ভব।

1. টিকটিকি তাড়ানোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল বাড়ি ঘর পরিষ্কার রাখা বাড়ি ঘর পরিষ্কার রাখলে কিংবা প্রতিনিয়ত অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সলিউশন দিয়ে যদি ঘরবাড়ি দরজা-জানলা পরিষ্কার করা হয় তাহলে টিকটিকির উপদ্রব কিছুটা হলেও কম হবে।এছাড়াও বাড়িতে কোন স্থানে জল জমতে দেওয়া যাবে না কিংবা দেওয়ার যদি কোন ফাটল ধরে এসেই ফাটল শান্তিকে তৎক্ষণাৎ বুজিয়ে ফেলার ব্যবস্থা করতে হবে কিংবা ঘরে কোন উজ্জ্বল লাইট ব্যবহার করা চলবে ।

উজ্জল লাইট ব্যবহার করা হয় প্রয়োজন শেষে সেদিকে নিভিয়ে ডিম লাইট অর্থাৎ মৃদু আলোর ব্যবহার বাড়াতে হবে এছাড়াও তার সাথে সাথে দেখতে হবে বাড়িতে যাতে কোনো ধরনের পোকামাকড়ের উপদ্রব না হয় কারণ পোকামাকর না হলে টিকটিকি ও বাড়িতে আর প্রবেশ করবে না সে নিজে থেকেই গৃহত্যাগ করবে। এছাড়াও দেওয়াল এবং ফার্নিচার এর মধ্যে কম সে কম 5 ইঞ্চি ফাঁকা রাখা প্রয়োজন। মাটিতে জল কিংবা খাবার পড়ে থাকলে তার তৎক্ষণাৎ পরিষ্কার করার ব্যবস্থা করা উচিত।

এছাড়াও উপায় রয়েছে আরো কিছু কফি যেটি আমাদের একটি অত্যন্ত প্রিয় পানীয় যার মধ্যে রয়েছে ক্যাফিন নামক উপাদান সেটি কিন্তু টিকটিকি তাড়ানোর জন্য একটি আদর্শ পন্থা। তার জন্য লাগবে কফি আর একটু তামাক গুঁড়ো।এই তামাক এবং কফিনগুলোকে একটু খানি জল দিয়ে মিশিয়ে টিকটিকি যেসব স্থানে উপদ্রব হয় কিংবা হতে পারে সেই সব স্থানে অল্প অল্প বলের আকারে রেখে রেখে দিলে টিকটিকি উপদ্রব অনেকটা হলেই কম হবে এছাড়াও ময়ূরের পালক যদি সেই স্থানে রাখা যায় তাহলে তার দেখলেই টিকটিকি ভয়ে পালায়।
3. প্রতিদিন খাবারের সঙ্গী পিয়াজ এটির যে করা কিংবা তীব্র গন্ধ তা কিন্তু টিকটিকি সহ্য করতে পারে না।স্থানের টিকটিকির উপদ্রব বেশি সেই সব স্থানে পিয়াজের কাটা টুকরোগুলোকে যদি রেখে দেওয়া যায় কিংবা পেঁয়াজের রস করে তার যদি স্প্রে করা যায় তাহলে টিকটিকির উপদ্রব অনেকটাই কমানো যেতে পারে এছাড়াও ঘরে ন্যাপথলিন এর ব্যবহারও টিকটিকির আশাকে অনেকটাই বন্ধ করে দিতে পারে।

4. এতগুলি উপায় এর পরেও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো এটি অতি সাধারণ জিনিস এর প্রয়োগ সেটি হলো তেজ পাতা পোড়ানো।দৈনন্দিন রান্নাঘরের সংগীত ইজ পাতা পুড়িয়ে তার ধোঁয়া থেকে যদি টিকটিকি যে সমস্ত স্থানে আসে কিংবা তার উপদ্রব রয়েছে ঘরে যে সমস্ত কোনায় সেসব তা নিয়ে যদি দু মাটিকে দেওয়া যায় তাহলে নিমেষে কিছুদিন পরপর ব্যবহারের মাধ্যমে টিকটিকি আসা চিরতরে রোধ করা যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button