আর মাত্র কিছুক্ষন, সাত জেলায় একটানা চলবে প্রবল বৃষ্টি, সাথে ঝড়োহাওয়া, যেসব অঞ্চলকে সতর্ক করলো মৌসুম ভবন!

নিজস্ব প্রতিবেদন:-দেশের মধ্যে চলছে এক ভ-য়া-ব-হ পরিস্থিতি । তার উপর চলতি মাস পুজোর মাস। কাজেই এই পুজোর মরসুমে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন রাজ্য ।তার সাথে সাথে উদ্বিগ্ন দেশ । যেখানে প্রতিদিন সংক্রমণের নতুন নতুন রেকর্ড করে চলেছে রাজ্য সেখানে সামনের দিনে এই পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হতে পারে বলে মনে করছে অনেকে। তার ওপরে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের খবর অনুসারে রীতিমতো চিন্তার ভাঁজ পড়েছে রাজ্যবাসীর কপালে ।

বেশ কয়েকদিন আগে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর খবর অনুসারে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে । কোচবিহার জলপাইগুড়ি দার্জিলিং কালিম্পং সহ বিভিন্ন জেলাতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও নেমেছিল ধস । জারি করা হয়েছিল সতর্কবার্তা। দক্ষিণবঙ্গ তেমন প্রভাব পড়েনি । তবে আরও একবার নিম্নচাপের সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

ওড়িশার দক্ষিণ উপকূলে ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। এই ঘূর্ণাবর্ত থেকে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে পূর্ব বিহার পর্যন্ত একটি অক্ষরেখা বিস্তৃত। অক্ষরেখার টানে ঢুকছে প্রচুর জলীয় বাষ্প। এর প্রভাবে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়ছে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে। ভারী বৃষ্টি হবে বিহার, ছত্তিশগড় এবং ওড়িশাতে। ফলে উত্তরবঙ্গ এর কোচবিহার জলপাইগুড়িতে হতে পারে মাঝারি থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত । জারি করা হয়েছে ইতিমধ্যে সতর্কবার্তা ।

কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে আংশিক মেঘলা আকাশ বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সর্তকতা রয়েছে। বাতাসে জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় আর্দ্রতা জনিত অস্বস্তি বাড়বে। বিহার সংলগ্ন জেলাগুলিতে দু-এক পশলা ভারী বৃষ্টি হতে পারে।কলকাতায় আংশিক মেঘলা আকাশ । কখনও পুরোপুরি মেঘলা আকাশ । বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা।

বাতাসে জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় আর্দ্রতা জনিত অস্বস্তি বাড়বে।নতুন করে নিম্নচাপ তৈরি হচ্ছে আগামী শুক্রবার বঙ্গোপসাগর ও আন্দামান সাগর সংলগ্ন এলাকায়।অতি ভারী বৃষ্টি হবে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে। ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে।

শুক্রবার থেকে মৎস্যজীবীদের আন্দামান সাগর ও সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে যেতে নিষেধ করা হচ্ছে। অন্যদিকে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড যা গতকালের থেকে ১ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড বেশি । এবং আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৬৩ থেকে ৯৩ শতাংশ ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button