চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পরে রয়েছে পেট্রোলে পোড়া নি’র্যাতিতার দেহাবশেষ, লাল শালুতে অস্থি নিয়ে কলসে তুললেন ভাই!

নিজস্ব প্রতিবেদন :-জন্ম যখন আছে মৃ-ত্যু তখন থাকবেই ।এটা ধ্রুব সত্য ।কিন্তু কোন মা বা কোন পরিবারের চায় যে তার সন্তানের মৃ-ত্যু এরকম নির্মমভাবে হোক। প্রথমে গণধ-র্ষ-ণ তারপরে খু-ন । সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের ঘটনা যেন বারবারই উস্কে দিচ্ছে নির্ভয়া কান্ড কে। আজও এ দেশে নারী সুরক্ষা পিছিয়ে অনেক । চোখে আঙ্গুল দিয়ে যেন বারবার দেখিয়ে দিচ্ছে এই উত্তরপ্রদেশে গণ ধ-র্ষ-ণ কান্ড।

অবশেষে ১৪ দিনের লড়াই শেষ করার পর মৃ-ত্যু ঘটে মনীষা বাল্মীকির ১৯ বছরের মেয়ের। যাকে ৪ উচ্চবর্ণের ধর্ষকরা নির্মমভাবে ধ-র্ষ-ণ করে এবং খু-নে-র চেষ্টা করে। এর পরে উত্তর প্রদেশের সরকার পুলিশি ব্যবস্থা সাহায্যে পরিবারের অনুমতি ছাড়াই রাতের অন্ধকারে পু-ড়ি- য়ে ফেলে সেই নি-র্যাতি-তার মৃ-ত-দে-হ।

এমনকি সৎকারের সময় পরিবার কেউ থাকতে দেয়নি তার ধারেপাশে । এ কোন দেশে বাস করছি আমরা ? এরকম প্রশ্ন সাধারণ মানুষ থেকে আরও অনেকের । কেনই বা পরিবারের হাতে তুলে দেয়া হলো না তার মৃতদেহ ? এরকম হাজারো হাজারো প্রশ্ন আছে থাকবে এবং প্রশ্নগুলোই আগামী দিনে প্রতিবাদ মিছিল বা সভাতে ফুটে উঠবে।

ইতিমধ্যে যোগী সরকারের বি-রু-দ্ধে সরব হয়েছেন রাজ্যের দেশের বিভিন্ন স্তরের মানুষেরা এই মৃ-তদে-হ রাতের অন্ধকারে পুড়িয়ে দেওয়ার তিনদিন পর মিলল অনুমতি । কিসের অনুমতি? সেই ছাই স্তুপ থেকে নি-র্যা-তি-তার অস্থি সংগ্রহের অনুমতি । এর থেকে লজ্জার এর থেকে দুঃখের আর কি হতে পারে একটা পরিবারের ক্ষেত্রে।

দ হাত কাঁপতে কাঁপতে সংগ্রহ করলো নিজের দিদির অস্থি । কান্নায় রাগে ক্ষো-ভে ফেটে পড়েছেন মা-বাবা। উগরে দিলেন একরাশ রাগ ।তাঁরা বলেন, “মেয়েকে শেষবার পেলে তার গায়ে হলুদ লাগাতাম। বাড়িতে দেহ রাখলে পরিবারের অন্যান্যরাও তাকে দেখতে পেত। যে মারা গেছে সে আমাদেরই মেয়ে, অন্য কারও না। অন্তিম সংস্কারের সময় পরিবারকে থাকতে যে পুলিশের নিরাপত্তা দেওয়ার কথা, তাদেরই এখন দেখে ভয় হয়।”

রীতিমতো বলার কোনো ভাষা নেই। এই ঘটনা ব্যক্ত করার কোন ভাষা কারোর কাছে নেই । কতটা নিচে নামলে এরকম একটি নৃশংস ঘটনা ঘটাতে পারে । আজও এদেশে সন্ধ্যা নামলে বাড়ির মেয়েরা মায়েরা বের হতে ভয় পায় । অথচ আমরা পেরিয়ে এসেছি স্বাধীনতার ৭০ টা বছর। এর থেকে লজ্জা হয়তো কিছু হয়নি এ দেশে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button