‘ভারতে মাদক পাচারের জন্যও একটি মেয়েকে সাড়ে চার বছর জেল খাটতে হয়’! ভাইরাল রিয়ার পুরনো পোস্ট!

দশ বছর আগে এক ঘটনা দেখে শিউরে উঠেছিলেন রিয়া চক্রবর্তী, ট্যুইট করে জানানও সেকথা। ২০০৯ সালের সেই ট্যুইট নিয়ে এখন শোরগোল সোশ্যাল মিডিয়ায়।

গত রবিবার এনসিবির দফতরে ডেকে পাঠানো হয় রিয়া চক্রবর্তীকে। সুশান্তের মৃ-ত্যু-র ত-দ-ন্তে নেমে মাদক যোগ পায় সিবিআই । দফায় দফায় জে-রা-র পর গ্রে-ফ-তা-র করা হয় সৌভিক, স্যামুয়েল এবং দীপেশকে। সৌভিক স্বীকার করে নেন দিদির কথাতেই ড্রা-গ আনতেন, পরিচয় ছিল বেশ কিছু ড্রা-গ ডিলারের সাথে। ৯ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাঁদের নিজেদের হে-ফা-জ-তে নিয়েছিল এনসিবি।

কিন্তু এদিনও সৌভিকের জামিনের আবেদন খা-রি-জ করে দেওয়া হয়। এরপর মঙ্গলবার মা-দ-ক যোগে গ্রে-ফ-তা-র হন রিয়া। ১৪ দিনের জেল হে-ফা-জ-ত হয়েছে তাঁর। বুধবার এই মামলায় আরও একজনকে গ্রে-ফতা-র করা হয়, মা-দ-ক সংগ্রহ এবং আর্থিক লেনদেন হত যে ব্যক্তির মাধ্যমে তাকেই গ্রে-ফ-তা-র করেছে এনসিবি।

সূত্রের খবর অনুযায়ী NDPS এর ৬৭ ধারায় সব স্বীকার করে নেয়। NDPS আইনের অধীনে ৮(সি), ২০(বি), ২৭(এ) সহ আরও দুটি ধরায় গ্রে-ফ-তা-র করা হয় রিয়াকে। দোষী সাব্যস্ত হলে দশ বছরের কা-রা-বা-স। ২০০৯ সালে ড্রা-গ পা-চা-র নিয়ে ট্যুইট করেন সেখানে তিনি বিস্মিত হয়ে জানান কেবল মা-দ-ক পা-চা-রে-র জন্য ৪ বছরের জে-ল তার বিস্বাসই হচ্ছিলো না। এই ট্যুইট প্রকাশ্যে আসতেই রিয়া চক্রবর্তী কে নিয়ে শুরু হয় বি-দ্রু-প করা। মূলত সুশান্ত অনুরাগীরা ট্রল করে সোশ্যাল মিডিয়ায়।রিয়ার গ্রে-ফ-তা-রে-র পরে সুশান্তের প্রাক্তন বান্ধবী অঙ্কিতার ধারণা এটা রিয়ার কর্মফল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button