৮ টি লাভজনক পাইকারী ব্যবসার দারুন আইডিয়া, অল্প পুঁজিতে শুরু করতে পারলে লাভ প্রচুর!

নিজস্ব প্রতিবেদন :-প্রতিটা বাড়ির প্রতিটা ছেলে মেয়ের ইচ্ছা থাকে পড়াশোনা শেষ করার পর জীবনের প্রতিষ্ঠিত হওয়া । অর্থাৎ নিজের পায়ে দাঁড়ানো। নিজের পায়ে দাঁড়ানো যায় যখন একটি চাকরি পাওয়া যায়। কিন্তু দুর্মূল্যের বাজারে চাকরি পাওয়া সহজ কাজ নয় তা ইতিমধ্যে টের পেয়ে গেছে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ছেলেমেয়েরা ।তাহলে উপায় কি? কিছুজন বলছে ব্যবসার কথা। সেখানে ও লাগে প্রচুর পুঁজি। এত টাকা পাওয়া যাবে কোথায় ? তবে এমন কিছু পাইকারি ব্যবসা আছে যা কম পুঁজিতে শুরু করা যায় এবং লাভ বেশি রাখা যায়। আপনি নিশ্চয়ই অবাক হচ্ছেন জানতে কি সে ব্যবসা গুলি? সে ব্যবসা গুলি সম্পর্কে বিস্তারিত জানাচ্ছি আমরা।

তার আগে এই ধারণাটা পরিষ্কার রাখা দরকার যে পাইকারি ব্যবসা কাকে বলে। কোনো ব্যক্তি বা ব্যবসায়ী উৎপাদক এর থেকে পাইকারি দরে কিছু কিনে তা গুদামে সংরক্ষিত রেখে পরে খুচরা ব্যবসায়ীদের মধ্যে যদি বিলিয়ে দেয় তবে সেই ব্যবসাকে পাইকারি ব্যবসা বলে। অর্থাৎ এক কথায় বলা যেতে পারে পাইকারি ব্যবসা হলো উৎপাদক এবং খুচরা ব্যবসায়ী মধ্যে যোগাযোগ করা একটি সেতু। এতে লাভের পরিমাণ মোটামুটি ভালই থাকে। ঠিক তেমনি বেশকিছু পাইকারি ব্যবসায় আছে যেখানে লাভের পরিমাণ বেশি অথচ পুঁজি লাগে খুব অল্প পরিমাণ ।

এই পাইকারি ব্যবসা গুলি হল যেমন
১) কাপড়ের পাইকারি ব্যবসা । এই ব্যবসা শুরু করতে গেলে আপনার পকেট থেকে ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা থাকা দরকার। তবে নির্ভর করছে যে আপনি কি ধরনের কাপড়ের ব্যবসা করবেন। যেমন বাংলা শাড়ি বিশ্ব বিখ্যাত। কাজেই আপনি শাড়ির ব্যবসা করতে পারেন উৎপাদকদের থেকে পাইকারি মূল্যে শাড়ি কিনে তা স্থানীয়দের মধ্যে বিলিয়ে দেওয়া বা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিলিয়ে দিতে পারেন।

২). চালের ব্যবসা’- চাল এমন একটা অত্যাবশ্যকীয় পণ্য যা সারা বছর বাজারে একই পরিমাণ চাহিদা থাকে। কাজেই পাইকারি ব্যবসা হিসেবে চালের ব্যবসা করতে পারেন। তবে চাল সম্পর্কে বিভিন্ন যে জ্ঞান তা আপনাকে মাথায় রাখতে হবে। এর সাথে সাথে পরিবহনের যে খরচ সেদিকটা মাথায় রাখতে হবে। উৎপাদকদের থেকে কিনে তা স্থানীয়দের মধ্যে বিলিয়ে দিলে বেশ কিছুটা লাভ হবে এই ব্যবসায়।

দি সামগ্রীর পাইকারি ব্যবসা: এটি একটি লাভজনক পাইকারি ব্যবসার আইডিয়া। মুদির দোকানে নিয়মিত বিক্রি আছে আর তাই তারা নিয়মিত মাল নেবে। তেল, মশলা, ডাল ইত্যাদি নানা পণ্যের ব্যবসা করতে পারেন। কোম্পানির ডিস্ট্রিবিউটরের থেকে পাইকারি হারে জিনিস সংগ্রহ করে পৌঁছে দিন খুচরো ব্যবসায়ীর কাছে। কোন কোম্পানির কোন পণ্যের কীরকম চাহিদা সে বিষয় জেনে নিন। নতুন পণ্য সম্পর্কে খোঁজ রাখুন।

৪). টি-শার্টের পাইকারি ব্যবসা: তুলনামূলকভাবে কম পুঁজিতে এই ব্যবসা শুরু করা সম্ভব। বাংলাদেশে টি-শার্ট তৈরির বহু কারখানা রয়েছে, যেখানে স্বল্পমূল্যে বিশ্বমানের টি-শার্ট তৈরি হয়। সেখান থেকে পাইকারি হারে টি-শার্ট এনে আপনার স্থানীয় বাজারে বিক্রি করতে পারেন। সঠিক পদ্ধতিতে এগোতে পারলে এই পাইকারি ব্যবসার আইডিয়াটি থেকে ভাল পরিমাণ লাভ হবে।

উপরিক্ত ব্যবসা গু-লি ছাড়া আরও অনেক ব্যবসা যেমন ঘড়ির ব্যবসা, থ্রি পিস চুরিদার সহ আরো অনেক ব্যবসা আছে যেগুলো পাইকারি মূল্য হিসেবে কিনে স্থানীয়দের মধ্যে বা খুচরা বিক্রেতাদের মধ্যে বিলিয়ে দিতে পারলে ব্যবসা চলবে রমরমিয়ে। আসবে মোটা অংকের টাকা। তাহলে অপেক্ষা কিসের ? চাকরি অপেক্ষা না করে লেগে পড়ুন ব্যবসায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

Back to top button